
‘কোল্ড ড্রিঙ্কস বা আইসক্রিমের একটা দোকান দেখতে পেলে একটু দাঁড়িয়ে যেও, ভাই। আর তো পারা যাচ্ছে না!’ ঘামে ভিজে গিয়েছে রুমাল। সেই রুমাল দিয়ে আরও একবার মুখ মুছে নিয়ে রোদচশমাটা ঠিক করে পরে নিল ত্রিশের রুমি। খটখটে শুষ্ক, গা জ্বালা করা গরমে ব্যাঙ্কের কাজে বেরিয়েছিল সে। চেনা রিক্সাওলাকে ডেকে নিয়ে সকাল সকাল ব্যাঙ্কে যাবে বলে ঠিক করেছিল। কিন্ত সংসারের সব কাজ সামলে বের হতে সেই দেরি হয়ে যায়। ঘড়িতে তখন বেলা সাড়ে ১০টা। বাড়ি থেকে বের হতেই মনে হলে আগুনের গোলা মুখের সামনে ধাক্কা দিয়ে চলে গেল। চোখে রোদচশমা, সানস্ক্রিন ক্রিম, মুখ-মাথা ওড়না ঢাকা দিয়েও রক্ষা পেল না রুমি। বাড়ি থেকে ব্যাঙ্কের দূরত্ব খুব বেশি নয়। কিন্তু যেতে হলে রিক্সা-টোটো নিলে তাড়াতাড়ি পৌঁছানো যায়। রোদে-গরমে নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম এপ্রিলের গোড়াতেই। পড়ে রয়েছে এখনও গোটা দুটো মাস। এখনই যেন বাড়ির...