
কলকাতা: রাজ্য জড়ে বিগত এক সপ্তাহ ধরে চলল খাদ্য দফতরের অভিযান। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান, শিলিগুড়ি সহ প্রায় সব জেলার দোকানে দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে। যে সব দোকানের সামনে থাকে ক্রেতাদের লম্বা লাইন, অনলাইন ডেলিভারি সংস্থার ডেলিভারি বয়দের ভিড়, সেখানেই মিলছে বিষ। পচা খাবার, বিষাক্ত রং, পোকা মিলেছে একাধিক নামী দোকানে।
১. বারবিকিউ নেশন (সেক্টর ৫)- বিপুল পরিমাণ পচা খাবার, রান্নাঘরে পোকা, অপরিচ্ছন্নতা। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।
২. রং দে বাসন্তী ধাবা (স্টার মল, মধ্যমগ্রাম)- পচা মাছ, পচা মাংস, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার, লঙ্কায় ছত্রাক। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।
৩. বারবিকিউ নেশন (সোদপুর)- পচা খাবার। বিক্রি বন্ধ।
৪. আরসালান (যশোর রোড)- পচা মাংস, অপরিচ্ছন্ন ফ্রিজ, পচা রসুন, কড়াইতে ডিটার্জেন্ট। নোটিস দিয়েছে খাদ্য দফতর।
৫. চাকনাওয়ালা (বিটি রোড, পানিহাটি)- অপরিচ্ছন্ন ফ্রিজ, হলুদ গুঁড়োয় বিষ রং। লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।
৬. চৌরাশিয়া চাট (সেক্টর ৩, সল্টলেক)- বিষ হলুদ রং, পুরনো তৈরি করা খাবার, লাইসেন্স বাতিল, রেস্তোরাঁ বন্ধ।
৭. রেড চিলিজ (চন্দননগর)। দীর্ঘদিনের পুরনো চিংড়ি মাছ, পচা মাংস। নোটিস দেওয়া হয়েছে।
৮. অমর মিষ্টান্ন (উত্তরপাড়া)। রসগোল্লার গামলায় আরশোলা, দইতে মাছি। নোটিস দেওয়া হয়েছে।
৯. বিগ বস (ট্যাংরা, কলকাতা)। ১০০ কেজি পুরনো মাংস, চিংড়ি। নোটিস দেওয়া হয়েছে।
১০. মাখনভোগ (সেবক রোড, শিলিগুড়ি), অপরিচ্ছন্ন পোকা, মিষ্টিতে মরা আরশোলা। সাময়িকভাবে সিল করে দেওয়া হয়।
১১. গণেশ মিষ্টান্ন (বর্ধমান)। মেয়াদ উত্তীর্ণ পনির, আইসিক্রিম, বিষ রং। নোটিস দেওয়া হয়েছে।
১২. বারবিকিউ নেশন, অবনী মল (শিবপুর)। মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার। নোটিস দেওয়া হয়েছে।