
কমলেশ চৌধুরীর রিপোর্ট
কলকাতা: দেশে বর্ষা বিদায়ের সময় এসে গিয়েছে। তবে বর্ষা থাকতে-থাকতেই জোরাল নিম্নচাপের পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়া অফিস। শনিবার আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। আর সেই নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে ওড়িশা-অন্ধ্রের দিকে এগতে পারে। তবে, নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় পরিণত হবে কি না, এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু এর জেরে সেপ্টেম্বরের শেষে বৃষ্টি বাড়তে পারে বাংলাতেও।
আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৌসুমী অক্ষরেখা লখনউ, গয়া এবং সাগরদ্বীপের ওপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। আরও একটি অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ থেকে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত। সেই কারণে বজ্রপাত সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকবে।
বৃহস্পতিবার কমলা সতর্কতা থাকবে পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায়। কলকাতা সহ বাকি জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে দু এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা।
শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস বইতে পারে।
শনিবার বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমবে। তবে বেশ কিছু জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা বাতাস বইতে পারে।
রবিবারেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। তবে পরিমাণ ও ব্যাপকতা কিছুটা কমবে। পশ্চিমের জেলা মিলিয়ে ছয় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা বজায় থাবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দমকা বাতাস থাকবে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলার ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে।
সোমবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। মঙ্গলবার ঝড় বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই দক্ষিণবঙ্গে।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলার দুই এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা। বাকি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার দমকা বাতাস বইতে পারে।