
কলকাতা: শুরুতে পূর্বাভাস ছিল রবিবার পর্যন্ত বৃষ্টির। যদিও বর্তমানে হাওয়া অফিস বলছে কোনও কোনও জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত হালকা বৃষ্টি হতে পারে। অকাল বৃষ্টিতে ইতিমধ্যেই মাথায় হাত পড়েছে চাষীদের। একাধিক জেলায় মুষলধারার জেরে জলের তলায় চলে গিয়েছে বিঘার পর বিঘার আলুর জমি। এদিনও কলকাতায় থাকছে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস। দক্ষিণবঙ্গের মোট ১১ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির আশঙ্কা থাকছে।
কোনও কোনও জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে শিলা বৃষ্টি দেখা যেতে পারে। বইতে পারে দমকা ঝোড়ো বাতাস। এদিকে শীতের বিদায় পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে বেশ কিছুদিন হল। কিন্তু, আচমকা বৃষ্টিতে কিছুটা কমেছে বসন্তের দহন। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বৃষ্টির ফলে আগামী দু’ থেকে তিনদিনের মধ্যে কিছুটা হলেও নামতে পারে তাপমাত্রা। এদিন সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার দিনেরবেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৫ থেকে ৯৫ শতাংশের মধ্যে।
এদিন সবথেকে বেশি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া দেখা যেতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়াতে। এই তিনজেলাতেই বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকছে। সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদে। বৃষ্টির পূর্বাভাস উত্তরবঙ্গেও। আবহাওয়া দফতর বলছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি মাত্রায় কয়েক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই। ভিজতে পারে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহের মতো জেলাগুলি।