TMC: দুঃসময়ে পিঠে ছুরি! এবার অভিষেকের সঙ্গেই ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করলেন তাঁরই ‘সেনাপতি’

Rebel TMC MP: গত সোমবার সকাল থেকে দিল্লিতে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বঙ্গ রাজনীতির জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। বিধানসভার পর লোকসভার সংসদীয় দলও হাতছাড়া হওয়ার পথে। বদলে যাওয়া  তৃণমূলের একঝাঁক ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন।

TMC: দুঃসময়ে পিঠে ছুরি! এবার অভিষেকের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করলেন তাঁরই সেনাপতি
অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়Image Credit source: PTI

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jun 10, 2026 | 1:04 PM

কলকাতা: তাঁরা নাকি বিক্ষুব্ধ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁদের একাধিক ক্ষোভ। সেই তালিকায় এমন এমন নাম শোনা যাচ্ছে, যাঁদের বিদ্রোহাত্মক বাণী শুনলে চমকে চমকে উঠছেন আম জনতা। অন্তত বর্ষীয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই সেকথা বলেছেন। এবার আরও এক নাম। তিনি অভিষেকের ‘সেনাপতি’, বলা ভালো ছিলেন। কারণ এবার শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের তালিকায় নাম জুড়তে চলেছে সায়নী ঘোষেরও। সূত্রের খবর, তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যোগ সায়নী ঘোষের। এ বিষয়ে জানতে বারবার সায়নী ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে TV9 বাংলা। কিন্তু কোনওভাবে যোগাযোগ করা যায়নি তাঁর সঙ্গে।  ম্যানেজার ফোনে জানিয়েছে, সায়নী আপাতত কলকাতার বাইরে রয়েছেন। তিনি ফিরে এসে নিজেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করবেন।

সূত্রের দাবি, তৃণমূলের অন্দরে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মধ্যে দলত্যাগী বা বিদ্রোহী মনোভাবাপন্ন যে ২০ জন সাংসদের তালিকা তৈরি হয়েছে, সায়নী ঘোষ তাতে স্বাক্ষর করেছেন।

গত সোমবার সকাল থেকে দিল্লিতে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বঙ্গ রাজনীতির জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল। বিধানসভার পর লোকসভার সংসদীয় দলও হাতছাড়া হওয়ার পথে। বদলে যাওয়া  তৃণমূলের একঝাঁক ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। বৈঠকের পরেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে এনডিএ-তে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে চিঠি দিয়েছেন ওই সাংসদরা। বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূলের মোট সদস্য সংখ্যা ২৮। তার মধ্যে ২০ জন সাংসদের এই মনোভাব তৃণমূলের জন্য ধাক্কার। কিন্তু ‘বিক্ষুব্ধদের’ মধ্যেও রয়েছে চমকপ্রদ কয়েকটি নাম। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সায়নী ঘোষ।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের এই ‘বিশ্বস্ত সেনাপতি’ হিসাবে ধীরে ধীরে নিজের নাম করেছিলেন শিবির অন্দরে।  সাদা শাড়িতে যিনি মমতার ‘রেপ্লিকা’ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁকে সংগঠনের বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছিল দল।  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন  দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তখন সায়নীকে দেওয়া হয়েছিল যুব সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বসে কমিশনের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছেন। দলের বিপর্যয়ের সময়ে তাঁকে নিয়ে এই জল্পনা, সত্যিই তৃণমূলের মাথাব্যথার কারণ। ইতিমধ্যেই বিক্ষুব্ধদের বিশ্বাসঘাতক বলে অ্যাখ্যায়িত করছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো বর্ষীয়ান সাংসদরা।  এখন দেখার, সায়নী ঘোষ কতদিনে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

Follow Us