
নয়া দিল্লি: দল ভেঙে দু ভাগ হয়ে যাওয়ার পর শিবসেনার প্রতীক একনাথ শিন্ডে শিবিরকেই দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। ২০২৩ সাল থেকে উদ্ধব ঠাকরে আর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারেন না। সেই সিদ্ধান্ত নিয়েই এবার মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবারের শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বললেন, “পরিষদীয় দলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার বিষয়টি বিবেচনা করা কমিশনের ভুল ছিল। এটা রাজনৈতিক দলের বিষয়।”
মহারাষ্ট্রের স্পিকার কেন তাঁদের দাবি মেনে শিবির বদল করা বিধায়কদের পদ খারিজ করেনি, সেই প্রশ্ন তুলেই মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। অন্যদিকে, অপর একটি মামলা করেছেন উদ্ধব ঠাকরে। তাঁর প্রশ্ন, কেন নির্বাচন কমিশন শিব সেনার নাম ও প্রতীক শিন্ডে শিবিরকে ব্যবহারের অনুমতি দিল? বুধবার সেই মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি (CJI) সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহানার বেঞ্চে। সেই শুনানিতেই পরিষদয়ী দলের উর্ধ্বে রাজনৈতিক দলকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলে সুপ্রিম কোর্ট।
প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইনে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ব্যাপারে কিছু নির্দিষ্ট করা আছে কি না। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী জানতে চান, প্রতীক আদতে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলেরই কি না। উত্তরে সিব্বল বলেন হ্যাঁ বলায়, বিচারপতির মন্তব্য, পরিষদীয় দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বিচার করে ভুল করেছে নির্বাচন কমিশন।
মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল যে আস্থা ভোটের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন, তা ভুল বলেও উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু যেহেতু আস্থা ভোটের আগেই উদ্ধব ঠাকরে পদত্যাগ করে দেন, তাই তাঁর কাছে আর কোনও সুযোগ ছিল না।