
কলকাতা: কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে কালীঘাট মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বেনারসি শাড়ি, জবার মালা দিয়ে দেবীর পুজো দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছেতেই দেবীকে ইলিশ মাছ, চিংড়ি, ভেটকি দিয়ে ভোগ পরিবেশন করা হয়। পুজো দেওয়ার পর মাটিতে বসেই ভোগ গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও বিজেপি নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে কোনও আপত্তি তুলছেন না। এই আবহে কালীঘাট মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রীর আমিষ ভোগ গ্রহণ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বৃহস্পতিবার সন্ধে নাগাদ পুজোর ডালা নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ডালায় ছিল বেনারসি শাড়ি, ফুলের মালা, মিষ্টি। মা কালীকে তা নিবেদন করার পর আরতি করেন, অঞ্জলি দেন। শুভেন্দু অধিকারীর নামে পূজা সংকল্প করা হয়েছে। পাঁচ রকমের ভাজা, নানারকমের মাছ দিয়ে দেবীকে ভোগ নিবেদন করেন শুভেন্দু অধিকারী। দেবীর ভোগে ছিল
পোলাও
পাঁচ রকম ভাজা
শুক্তো
ডাল
সবজি
পনির
পাঁচ রকমের মাছ।ইলিশ মাছ, চিংড়ি, ভেটকি, পার্শে, কাতলা
কাতলা মাছের মাথা
নিরামিষ পাঠার মাংস (বলির মাংস )
পায়েস
চাটনি
পুজো দেওয়ার পর মাটিতে বসে ভোগের প্রসাদ গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর পাতে ছিল পোলাও, মাছের মাথা, পায়েস। এরপর মন্দির থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, “একজন সন্ত একজন বাবা তাঁর মত প্রকাশ করেছেন। যে গ্রহণ করার করবেন, নাহলে করবেন না। আমিও অষ্টমীর দিন সাত্ত্বিক আহার খাই। আমিও কার্তিক মাসে সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করি। আবার বাঙালি হিসেবে মাকে যে মাছ দিয়ে ভোগ দেওয়া হয়, তাও গ্রহণ করি। পাঁঠা বলির প্রসাদও গ্রহণ করি। আজ দুপুরে মন্দিরে যা ভোগ দেওয়া হয়েছিল, মাছের মাথা, মাছ ভাজা ছিল, বাসন্তি পোলাও খেয়েছি। সনাতন সংস্কৃতি জাগ্রত থাকবে। গেরুয়া ধ্বজ সবসময় উপরে থাকবে।”