কলকাতা: প্রতিদিনের মতোই কাজে এসেছিলেন ওঁরা। কিন্তু এত বড় বিপর্যয় নেমে আসবে তা হয় ভাবতেও পারেনি মানুষগুলো। তারাতলায় হঠাৎ মাথার উপর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কারখানার শেড। আর তাতে মৃত্যু একাধিকের। অসমর্থিত সূত্র বলছে, আটকে ৪০ থেকে ৫০ জন মানুষ। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে দমকল গেছে। নেমেছে সেনা। রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সবাই উদ্ধার করছে। সাংবাদিকরা ক্রমাগত সেই উদ্ধারের ছবি তুলে ধরছেন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে দিকে পা পড়ছে সাংবাদিকদের কার্যত দেখা যাচ্ছে সেখানেই রয়েছে আটকে থাকা মানুষ।
এ দিন, টিভি ৯ বাংলার সাংবাদিক গোটা ঘটনাস্থল ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিলেন। চিত্র সাংবাদিক উদ্ধারের কাজ দেখাচ্ছিলেন। তখনই সেখানে উদ্ধার কাজের দায়িত্বে থাকা কোনও আধিকারিক বলেন, “স্যর দেখুন আপনার পায়ের কাছে বডি পড়ে। দেখছেন কীভাবে বডি পড়ে আছে।” সেই ছবি দেখলে কার্যত শিউরে উঠতে হয়।
দেখা যাচ্ছে, চারদিকে ইটের স্তুপ। সেখানেই পড়ে রয়েছেন একজন। ছবি দেখা সবটা স্পষ্ট না হলেও, দেখে মনে হচ্ছে তিনি উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছেন। এ দিকে, ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজে নেমে পড়েছে সেনা। এছাড়া রয়েছে NDRF ও পুলিশ ও দমকল। আনা হয়েছে ক্রেন। ইতিমধ্যেই যাঁদের উদ্ধার করা হচ্ছে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এসএসকেএম হাসপাতালে। ভিতরে শুধু পুরুষ নন, মহিলারাও রয়েছেন।
কীভাবে এই বিপর্যয়?
প্রাথমিকভাবে যা খবর আসছে, পরিবহন দফতরেরই একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, বুধবার সকালেও অনান্য দিনের মতো কাজ চলছিল। ঘটনার আধ ঘণ্টা আগে লোহার বিম নড়ে। তারপরই কয়েকটা জায়গায় ভেঙে পড়ে। সে সময়ে কোনওভাবে শেডের নীচে ভিতরে ঢুকে আবার পুরোটা ঠিক করে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছিলেন কর্মীরা। তখনই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে গোটা টিনের শেড। আর তারপরই এই বিপর্যয়।
কলকাতা: প্রতিদিনের মতোই কাজে এসেছিলেন ওঁরা। কিন্তু এত বড় বিপর্যয় নেমে আসবে তা হয় ভাবতেও পারেনি মানুষগুলো। তারাতলায় হঠাৎ মাথার উপর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল কারখানার শেড। আর তাতে মৃত্যু একাধিকের। অসমর্থিত সূত্র বলছে, আটকে ৪০ থেকে ৫০ জন মানুষ। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে দমকল গেছে। নেমেছে সেনা। রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সবাই উদ্ধার করছে। সাংবাদিকরা ক্রমাগত সেই উদ্ধারের ছবি তুলে ধরছেন। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে দিকে পা পড়ছে সাংবাদিকদের কার্যত দেখা যাচ্ছে সেখানেই রয়েছে আটকে থাকা মানুষ।
এ দিন, টিভি ৯ বাংলার সাংবাদিক গোটা ঘটনাস্থল ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিলেন। চিত্র সাংবাদিক উদ্ধারের কাজ দেখাচ্ছিলেন। তখনই সেখানে উদ্ধার কাজের দায়িত্বে থাকা কোনও আধিকারিক বলেন, “স্যর দেখুন আপনার পায়ের কাছে বডি পড়ে। দেখছেন কীভাবে বডি পড়ে আছে।” সেই ছবি দেখলে কার্যত শিউরে উঠতে হয়।
দেখা যাচ্ছে, চারদিকে ইটের স্তুপ। সেখানেই পড়ে রয়েছেন একজন। ছবি দেখা সবটা স্পষ্ট না হলেও, দেখে মনে হচ্ছে তিনি উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছেন। এ দিকে, ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজে নেমে পড়েছে সেনা। এছাড়া রয়েছে NDRF ও পুলিশ ও দমকল। আনা হয়েছে ক্রেন। ইতিমধ্যেই যাঁদের উদ্ধার করা হচ্ছে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এসএসকেএম হাসপাতালে। ভিতরে শুধু পুরুষ নন, মহিলারাও রয়েছেন।
কীভাবে এই বিপর্যয়?
প্রাথমিকভাবে যা খবর আসছে, পরিবহন দফতরেরই একটি গোডাউন নির্মাণের কাজ চলছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, বুধবার সকালেও অনান্য দিনের মতো কাজ চলছিল। ঘটনার আধ ঘণ্টা আগে লোহার বিম নড়ে। তারপরই কয়েকটা জায়গায় ভেঙে পড়ে। সে সময়ে কোনওভাবে শেডের নীচে ভিতরে ঢুকে আবার পুরোটা ঠিক করে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছিলেন কর্মীরা। তখনই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে গোটা টিনের শেড। আর তারপরই এই বিপর্যয়।