
কলকাতা: হাতে ফাইল। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিক থেকে বেরলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা শ্যামপুকুর কেন্দ্রের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শশী পাঁজা (Sashi panja)। সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্ন, সেই ভোটের পর থেকে এখনও কেন শশীকে দেখা যাচ্ছে না রাজনীতিতে? তিনি কোন তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছেন? ইত্যাদি…প্রভৃতি। কিন্তু শশী স্পিকটি নট। কোনও উত্তরই দিলেন না তিনি।
জল্পনা শুরু হয়েছিল রবিবার থেকে। হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের একটি ক্লিনিক আছে। আর জি কর থেকে ডাক্তারি পড়া শেষ করে কাকলির কাছে কাজ শেখেন শশী। তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই ক্লিনিকে যান তিনি। এটা কোনও নতুন বিষয় ছিল না। এতদিন প্রশ্ন ওঠেনি কারণ কাকলি ও শশী উভয়েই ছিলেন অখন্ড তৃণমূলে। তাঁদের দল দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় ছিল। তবে, যেই না তৃণমূল ক্ষমতাচ্যূত, দল ভাঙতে শুরু করল। কাকলী যোগ দিলেন NCPI তে। এ দিকে, হারার পর শশীর পাত্তা নেই।
গতকাল আবার কুণাল ঘোষ বলে বসলেন ভোটের রেজাল্টের পর শশী পাঁজা যোগাযোগ রাখেন না। দেশের বাইরে ছিলেন, বলেছিলেন এসে যোগাযোগ করবেন, কিন্তু তা করেননি। এরপর আবার সোমবার কুণাল লিখলেন, কেউ যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।
কিন্তু এত সবের মধ্যে শশী কি বলছেন? তিনি কোথায়? এই প্রশ্ন যখন উঠল, তখন আজ তাঁর শরীরী ভাষা বলল অন্য কথা। খানিক বিরক্ত তিনি। কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দিলেন না। সাংবাদিকদের বারেবারে সরিয়ে দিলেন। না তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ, না বললেন অন্য দলের যাওয়ার কথা।