
কলকাতা: কোথাও পচা মাংস, কোথাও বা মিষ্টিতে রং, কোথাও আবার পনিরে পেঁচিয়ে থাকছে চুল। বিভিন্ন দোকানের লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ছোট-বড়-মাঝারি সব ধরনের দোকানের লাইসেন্স বাতিল হচ্ছে ক্রমাগত। এই আবহের মধ্যে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ তথা কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan banerjee)। তাঁর দাবি, তোলাবাজির টাকা না পেয়ে এই দোকানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।
এ দিন, তৃণমূল সাংসদ বলেন, “স্বাস্থ্য দফতর থেকে শুধু নিরামিষের দোকান নয়। অনেক মিষ্টির দোকান বন্ধ করে দিয়েছে। বিরিয়ানির দোকান বন্ধ আছে। আসলে বাংলাকে নিরামিষাশী করতে চাইছে।” তিনি আরও বলেন, “বিভিন্ন দোকানে গিয়ে টাকা চাওয়া হচ্ছে। আর টাকা না দিলেই একটা অন্য অ্যালিবাই দিয়ে সাসপেন্ড করাচ্ছে। সনাতনী বলতে উত্তরপ্রদেশের হিন্দুদের মতো বানাতে চাইছে। শাক্তরা কেউ সনাতনী নয়। শুধু বৈষ্ণবরা সনাতনী কারণ ওরা ভেজ নিরামিষ খায়।”
পাল্টা মন্তব্য করেছেন রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী তাপস রায়ও। তিনি বলেন, “এই তোলাবাজির জন্ম কারা দিয়েছে? কাটমানি শব্দ বেরিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ থেকে। কল্যাণ পচা মাংস খাক। ও খুব বিরিয়ানি খেতে ভালবাসে।” এখানে উল্লেখ্য, আজ শুধু খাবারের দোকান নয়, একই সঙ্গে বড়বাজারে ওষুধের দোকানেও তল্লাশি চলানো হয়েছে।
বস্তুত, আর কয়েকদিন পরই শুরু হচ্ছে দুর্গাপুজো। তার আগে জায়গায়-জায়গায় চলছে তল্লাশি অভিযান। অপরিচ্ছন্নতা, খাবারে রাসায়নিক মেশানো, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার পরিবেশন করার অভিযোগে কলকাতার ৪০ রেস্তোরাঁ ও দোকানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। একে একে ঝাঁপ বন্ধ করা হচ্ছে দোকানগুলির। তবে ওই সংশ্লিষ্ট দোকানগুলি নতুন করে ফুড লাইসেন্সের আবেদন করতে পারবেন বলে খবর।