
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গঠিত সপ্তম পে কমিশন নবান্নে তাদের প্রথম বৈঠক হল। এই বৈঠকে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতর, সাংবিধানিক সংস্থা, কর্পোরেশনগুলির বর্তমান আর্থিক ও কর্মকাঠামোগত অবস্থা পর্যালোচনা করা হয় এবং কমিশনের পরবর্তী কাজের সার্বিক রোডম্যাপ তৈরি করা হয়।
কমিশন জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই তাদের একটি নিবেদিত অফিসিয়াল ওয়েবসাইট চালু করা হবে। কমিশনের সমস্ত বিজ্ঞপ্তি, আপডেট এবং তথ্য শুধুমাত্র সেই প্ল্যাটফর্মেই প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে কমিশনের নজরে এসেছে যে, সামাজিক মাধ্যমে তাদের সুপারিশ ও নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে নানা ধরনের অনুমোদনহীন ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে।
পে কমিশনের পক্ষ থেকে প্রেস নোটের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই ধরনের সমস্ত অপপ্রচার ও গুজবে কান দেবেন না। অফিসিয়াল ঘোষণা ও ওয়েবসাইট চালু না হওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের অননুমোদিত তথ্যে বিশ্বাস না করার জন্য সর্বসাধারণ এবং রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগোল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সপ্তম পে কমিশনের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ‘শর্তাবলি ও কার্যপরিধি’ নির্দিষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। শুক্রবার জারি করা এই বিজ্ঞপ্তিতে বেতন কাঠামো, ন্যূনতম বেতন, বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় হারের সঙ্গে বেতন স্তরের সামঞ্জস্য, মহার্ঘ ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা, অবসরকালীন সুবিধা-সহ একাধিক বিষয়ে পর্যালোচনার কথা বলা হয়েছে।