Nabanna: সরকারি নিয়মে বড় বদল, জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র আর ইস্যু করবেন না পঞ্চায়েত-পুর প্রধানরা!

Birth-Death Certificate Rules: নবান্নের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রে একমাত্র সরকারি আধিকারিকদের সইয়ের ক্ষমতা থাকবে। কেন সিদ্ধান্ত সেই বিষয়ে কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল। এসআইআরের কাজ চলাকালীন দেখা গিয়েছে, প্রচুর ভুয়ো শংসাপত্র পাওয়া গিয়েছে। বিশেষ করে এই ধরনের শংসাপত্রের অভিযোগ বেশি পাওয়া গিয়েছে মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুরে।

Nabanna: সরকারি নিয়মে বড় বদল, জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র আর ইস্যু করবেন না পঞ্চায়েত-পুর প্রধানরা!
নবান্নImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Jul 23, 2026 | 5:13 PM

কলকাতা: সরকারি নিয়মে বড় বদল নবান্নের (Nabanna)। জন্ম-মৃত্যুর জাল শংসাপত্র (Birth-Death Certificate) নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। মুখ্যসচিবের নির্দেশের পরই জেলায় জেলায় নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে। এরই মধ্যে জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। এবার থেকে পঞ্চায়েত ও পুর প্রধানরা আর জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু করতে পারবেন না। সরকারি আধিকারিকরাই একমাত্র শংসাপত্র দিতে পারবেন। খুব শীঘ্রই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হবে বলে জানিয়ে মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল (Manoj Agarwal)।

কেন সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের?

নবান্নের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রে একমাত্র সরকারি আধিকারিকদের সইয়ের ক্ষমতা থাকবে। কেন সিদ্ধান্ত সেই বিষয়ে কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল। এসআইআরের কাজ চলাকালীন দেখা গিয়েছে, প্রচুর ভুয়ো শংসাপত্র পাওয়া গিয়েছে। বিশেষ করে এই ধরনের শংসাপত্রের অভিযোগ বেশি পাওয়া গিয়েছে মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুরে। এই বার্থ সার্টিফিকেটের উপর নির্ভর করে আধার কার্ড-সহ অন্যান্য পরিচয়পত্র বানানোর কাজ। তাই,বার্থ সার্টিফিকেট খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেক্ষেত্রে, পুরো বিষয়টাই বেআইনি হয়ে যাবে। জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রে যাতে কোনও রকম ভুল না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কী বলছেন সুকান্ত ভট্টাচার্য?

এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “যদি পঞ্চায়েত প্রধান ও মিউনিসিপালিটির চেয়ারম্যানের হাতে যদি এই দায়িত্ব থাকে, স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাঁরা এই কাজটা করেছেন। আর সেক্ষেত্রে দায়িত্ব নেওয়া বিষয়ে পরবর্তীকালে যদি কোনও ভুল বেরোয়, যেহেতু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সেক্ষেত্রে তাঁদের পালানোর জায়গা থাকে। সরকারি আধিকারিকদের হাতে যদি দায়িত্ব থাকে, তাহলে তাঁদের চাকরির কথা মাথায় রেখে সবসময় ঠিকঠাক শংসাপাত্র দেওয়ার চেষ্টা করবেন। বাংলাদেশের অনেক নাগরিক বার্থ সার্টিফিকেট জাল করে এই দেশের নাগরিক হয়েছেন। এটা তো আর আমরা চলতে দেব না।”

Follow Us