
কলকাতা: জনগণার কাজে অংশ নিতেই হবে শিক্ষকদের। অন্যথায় আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। আইন অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। জনগণনার কাজে বাধ্যতামূলকভাবে অংশগ্রহণের জন্য ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরনিগমের তরফে জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিসে গিয়েছে চিঠি। সে কারণেই তা নিয়ে স্বভাবতই চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে। চর্চা শুরু শিক্ষকদের মধ্যেও।
তবে শিক্ষকরা যে অংশ নেবেন সেই ব্যাপারে সম্পূর্ণ আশাবাদী রাজ্যের নতুন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। তিনি বলছেন, “জনগণনার কাজের পরিব্যপ্তি অনেক। অনেক লোকের প্রয়োজন। অনেক সময় নিয়ে, অনেক তথ্য তুলে আনতে হয়। সেই জন্যই অনেক কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। সরকারি ক্ষেত্রে কিছু কিছু কর্মী নিয়ে এই কাজটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।”
আর অংশ না নিলেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা? স্কুল শিক্ষামন্ত্রী যদিও বলছেন, শুধু এটা শিক্ষকদের ক্ষেত্রে নয়, যে কোনও কর্মীর ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশ অমান্য করলে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয় তেমনই এখানেও এর উল্লেখ রয়েছে। তাঁর স্পষ্ট কথা, “শিক্ষকরা তো সমস্ত বিষয়ে অবগত, তাই রাজি তাঁরা নিশ্চয় হবেন।” তবে দীর্ঘ সময় শিক্ষকের অভাবে যে স্কুলের পঠনপাঠনেও ছাপ পড়তে পারে তা মানছেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী। সেদিকে যে সরকারের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে তাও বলছেন মন্ত্রী। তাঁর কথা, “শিক্ষকরা না থাকলে স্কুলের পঠনপাঠন বিঘ্নিত হবে না এটা তো বলা যায় না। তাই যতটা কম সংখ্যায় নিয়ে করা যায় সেই ধরনের অনুরোধই আমার পক্ষ থেকে থাকবে।”