
কলকাতা: বাংলার পথে দেরি বর্ষার। আজ নির্ধারিত সময়ে বর্ষা আসছে না উত্তরবঙ্গে। নিয়ম মানলে আজই জলপাইগুড়িতে ঢুকে পড়ে বর্ষা। উত্তরবঙ্গে অবশ্য প্রাকবর্ষাতেই ভারী বর্ষণ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। ভারী বৃষ্টিতে এখনই বিপাকে সিকিম। অন্যদিকে হাওয়া অফিস বলছে, এখনই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসার সম্ভাবনা নেই। তবে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে।
অন্যদিকে ইতিমধ্যেই মনিপুর-মিজোরামে ঢুকে পড়েছে বর্ষা। মৌসুমী অক্ষরেখার উত্তরাংশ উত্তর-পূর্ব ভারতেই। কেরলমের পর কর্ণাটক তামিলনাড়ু পেরিয়ে গোয়া-মহারাষ্ট্রতে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। অন্ধ্রপ্রদেশের কিছু অংশেও ঢুকে পড়েছে বর্ষা।
তবে বাংলার জন্য ধীরে ধীরে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলেই জানাচ্ছে মৌসম ভবন। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনে সিকিম এবং উত্তরবঙ্গে ঢুকে পড়বে বর্ষা। এমনটাই পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। ছত্তিসগঢ় ওড়িশাতেও একইসঙ্গে বর্ষা ঢুকবে বলে পূর্বাভাস।
উত্তরবঙ্গে শুক্রবার পর্যন্ত সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ের সম্ভাবনাও থাকছে। এদিন ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে। সোমবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি জেলায়। ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং কোচবিহারে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলাতে। শুক্রবার এই জেলাগুলির সঙ্গে সঙ্গে মালদহ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে।
অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে সব জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে। তবে ঝড় বৃষ্টি হলেও গরমের হাত থেকে এখনই নিস্তার নেই। তাপমাত্রার বড়সড় পরিবর্তন নেই আগামী সাত দিনে। এদিন বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। বুধবার থেকে ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতে।