
দাঁত মাজতে গিয়ে আচমকা মাড়িতে ব্রাশের শক্ত খোঁচা লাগা বেশ সাধারণ ঘটনা। কিন্তু এই সামান্য অসাবধানতার ফল হতে পারে মারাত্মক যন্ত্রণাদায়ক।
মাড়ির চামড়া উঠে যাওয়া বা ক্ষত তৈরি হলে খাওয়ার সময় জ্বালাযন্ত্রণা বহুগুণ বেড়ে যায়। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে বাড়িতে বসেই এই ব্যথা কমানোর ৮টি কার্যকারী উপায়।
এক গ্লাস ইষদুষ্ণ জলে আধা চামচ নুন মিশিয়ে দিন। দিনে ৩-৪ বার কুলকুচি করলে ক্ষতের জীবাণু ধ্বংস হয় এবং মাড়ির ফোলা ও ব্যথা দ্রুত কমে।
ফ্রেশ অ্যালোভেরা গাছের পাতা থেকে জেল বের করে সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত মাড়িতে লাগিয়ে রাখুন। অ্যালোভেরার প্রাকৃতিক কুলিং এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান মাড়ির জ্বালা ভাব দূর করে।
একটি ব্যবহৃত গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি-ব্যাগ ঠান্ডা করে মাড়ির ক্ষতের ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখুন। চায়ের পাতায় থাকা টানিন (Tannin) উপাদান রক্তপাত বন্ধ করতে ও ফোলা কমাতে দারুণ কাজ করে।
সামান্য কাঁচা হলুদ বাটা বা হলুদ গুঁড়োর সাথে মধু মিশিয়ে ক্ষতের মুখে লাগিয়ে রাখুন। হলুদের অ্যান্টিসেপটিক এবং মধুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ মাড়ির ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে।
সুতির পরিষ্কার কাপড়ে এক টুকরো বরফ মুড়ে গালের বাইরে যে অংশটিতে ব্যথা, সেখানে ৫-১০ মিনিট চেপে ধরুন। বরফের ঠাণ্ডা স্পর্শ ক্ষতস্থানের রক্তনালীকে সংকুচিত করে ফোলা ও যন্ত্রণা কমায়।
লবঙ্গে থাকা ইউজেনল (Eugenol) উপাদানটি প্রাকৃতিক অ্যানাস্থেটিক হিসেবে কাজ করে। একটি লবঙ্গ ক্ষতের জায়গায় চেপে রাখুন অথবা তুলোয় এক ফোঁটা লবঙ্গ তেল লাগিয়ে মাড়িতে দিলে ব্যথা মুহূর্তে অবশ হয়ে আসে।