Cewing gum vs bubble gum: চুইংগাম ও বাবল গামের তফাৎ জানেন?

Between chewing gum and Bubble gum: মুখের দুর্গন্ধ মেটাতে পকেট থেকে ছোট এই ক্যান্ডি বের করে নেওয়া আমাদের নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু দোকানে গিয়ে আমরা প্রায়শই 'চুইংগাম' আর 'বাবল গাম'-কে এক ক্যাটাগরিতে ফেলে দিই। সাধারণ চোখে দুটিকে দেখতে একই রকম মনে হলেও, এদের গঠন ও উদ্দেশ্যে রয়েছে আকাশপাতাল ফারাক।

Cewing gum vs bubble gum: চুইংগাম ও বাবল গামের তফাৎ জানেন?

|

Sep 05, 2026 | 5:59 PM

চুইংগাম বা বাবল গাম চিবোননি—এমন মানুষ মেলা ভার। ক্লাসরুমের শেষ বেঞ্চ থেকে শুরু করে কাজের ফাঁকে ক্লান্তি দূর করতে, কিংবা মুখের দুর্গন্ধ মেটাতে পকেট থেকে ছোট এই ক্যান্ডি বের করে নেওয়া আমাদের নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু দোকানে গিয়ে আমরা প্রায়শই ‘চুইংগাম’ আর ‘বাবল গাম’-কে এক ক্যাটাগরিতে ফেলে দিই। সাধারণ চোখে দুটিকে দেখতে একই রকম মনে হলেও, এদের গঠন ও উদ্দেশ্যে রয়েছে আকাশপাতাল ফারাক।

মূল তফাতটি ঠিক কোথায়?

চুইংগাম তৈরি করা হয় অপেক্ষাকৃত শক্ত গাম বেস (Gum base) দিয়ে, যার মুখের ভিতর টেকে কম। অন্যদিকে, বাবল গাম তৈরিতে ব্যবহার করা হয় দীর্ঘতর ও উচ্চ আণবিক ক্ষমতার পলিমার এবং রেজিন। ফলে বাবল গাম অনেক বেশি নমনীয় ও টেকসই হয়, যা সহজে ছিঁড়ে না গিয়ে হাওয়া ঢুকিয়ে বড় বেলুন ফোলাতে সাহায্য করে।

চুইংগামের মূল লক্ষ্য হল দীর্ঘক্ষণ ধরে চিবোনো, মুখের সতেজতা ধরে রাখা এবং চোয়ালের ব্যায়াম হওয়া। অন্যদিকে, বাবল গামের মূল আকর্ষণই হল তা দিয়ে হাওয়া ভরে গোল বেলুন তৈরি করা এবং তা ফাটানোর আনন্দ নেওয়া।

সাধারণত চুইংগামে চিনির পরিমাণ কম থাকে এবং এতে মিন্ট, পুদিনা বা স্পিয়ারমিন্টের রিফ্রেশিং ফ্লেভার বেশি ব্যবহার করা হয়, যা মুখে দীর্ঘক্ষণ চিবানোর পরও স্বাদ ধরে রাখে। কিন্তু বাবল গামে মিষ্টি ও কৃত্রিম ফ্রুট ফ্লেভার (যেমন স্ট্রবেরি, কলা, বা বাবলগাম স্পেশাল ফ্লেভার) বেশি থাকে। চিবোনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবল গামের মিষ্টি স্বাদ কমে যায়।

চুইংগাম আকারে কিছুটা পাতলা ও মসৃণ হয়। মুখে চিবোনোর সময় এটি নরম থাকলেও তা দিয়ে খুব বড় বেলুন ফোলালে তা ফেটে ঠোঁটে ও মুখে বাজেভাবে আটকে যায়। বাবল গাম অপেক্ষাকৃত পুরু ও চটচটে হলেও, বিশেষ পলিমার থাকার কারণে তা মুখ থেকে সহজে ছাড়িয়ে নেওয়া যায়।

খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চুইংগামের ইতিহাস শত বছরের পুরনো হলেও বাবল গামের আবিষ্কার হয়েছিল বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে, ১৯২৮ সালে ডারান গাম কোম্পানির কর্মচারী ওয়ালটার ডিমারের হাত ধরে। ফলে পরবর্তীতে চুইংগামের ওপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়—বাবল গাম। তাই পরের বার দোকানে গিয়ে কোনটা চিবোবেন আর কোনটা দিয়ে বেলুন ফোলাবেন, তা বেছে নিন উপাদান দেখেই!

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us