
অ্যালার্মের শব্দে ঘুম ভাঙার পর সারাদিন ঘড়ির সঙ্গ দৌড়াদৌড়ি। বাড়ির ঘড়ি, স্টেশনের ঘড়ি, অফিসের ডেডলাইন। বেঁধে দেওয়া সময় থেকে ছুটি নিয়ে প্রত্যেকেই কোথাও না কোথাও যান বেড়াতে। থাকেন হোটেলে। পকেটের জোর বুঝে আরামদায়ক ঘর খোঁজেন প্রত্যেকেই। কিন্তু কোনও হোটেলের ঘরে কি দেখেছেন, দেওয়াল ঘড়ি আছে?
ভালো করে মনে করলে বুঝতে পারবেন, আপনি যে সব হোটেলে থেকেছেন, তার বেশিরভাগের দেওয়ালেই ঘড়ি থাকে না। এর পিছনে কারণটা কী?
পর্যটকরা যাতে সময়ের বাঁধনে বেঁধে না থাকেন, সময় ভুলে যেন সবাই আনন্দ করতে পারেন, তার জন্য দেওয়ালে ঘড়ি রাখা হয় না। রুটিনে বাঁধা জীবনে ঘড়ি দেখলেই উদ্বেগ বাড়ে। বারবার চোখ চলে যায় সময়ের দিকে। মনে পড়ে যায় সেই অ্যালার্ম, মিটিং বা ডেডলাইনের কথা। তাই চোখের সামনে থেকে ঘড়ি সরিয়ে সময়টা আরও সুন্দর করাটা অন্যতম কারণ।
সাধারণত পর্যটকদের হাতে থাকে ফোন, ঘড়ি। ফলে আলাদা করে দেওয়াল ঘড়ি দেখার প্রয়োজন পড়ে না। সেই হোটেল মালিকরা চান, দেওয়ালে ঘড়ি না লাগিয়ে অন্য কোনও ডেকরেটিভ আইটেম লাগাতে।
শেষের কারণটা জানলে অবাক হবেন। ঘড়ি থাকলে নানা অভিযোগ জানান পর্যটকরা। কেউ বলেন ঘড়িতে ভুল সময় দেখাচ্ছে। কেউ বলেন, ঘড়ি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কেউ আবার বলেন, ঘড়ির শব্দে রাতে ঘুম হচ্ছে না। ঘড়ি না থাকলে, অভিযোগেরও কোনও প্রশ্ন নেই।