
সামান্য বেকিং সোডার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। সপ্তাহে মাত্র ১-২ দিন এই মিশ্রণটি ব্রাশে নিয়ে দাঁত মাজুন। দাঁতের হলদে ভাব দ্রুত কেটে যাবে।

কমলালেবুর খোসার ভেতরের সাদা অংশটি দিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত ভালো করে ঘষুন। এতে থাকা ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম দাঁতের ব্যাকটেরিয়া ও হলদেটে ভাব দূর করতে সাহায্য করে।

১টি পাকা স্ট্রবেরি ভালো করে চটকে নিয়ে তাতে সামান্য বেকিং সোডা মেশান। এই মিশ্রণটি দাঁতে লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে দিন, তারপর ব্রাশ করে নিন। স্ট্রবেরির ম্যালিক অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে দাঁত সাদা করে।

কলা বা পাকা পেঁপের খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে দাঁতে ২-৩ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর ইষদুষ্ণ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ব্রাশ করে নিন। এর খনিজ উপাদান দাঁতের এনামেলকে উজ্জ্বল করে।

১ চিমটে খাঁটি হলুদ গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য নারকেল তেল মিশিয়ে ব্রাশের সাহায্যে দাঁতে ঘষুন। হলুদের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান দাঁতের দাগ তোলার পাশাপাশি মাড়ির স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।

এক কাপ জলে আধা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। ব্রাশ করার আগে এই জল দিয়ে ভালো করে কুলকুচি (মাউথওয়াশ হিসেবে) করুন। দাঁতের জেদি কালচে বা হলদে ছোপ সহজেই হালকা হবে।

সপ্তাহে দু'দিন ব্রাশের মাথায় সামান্য অ্যাক্টিভেটেড চারকোল পাউডার বা কাঠকয়লার গুঁড়ো নিয়ে দাঁত মাজুন। এটি দাঁতের ওপর জমে থাকা প্লাক ও হলদে দাগ চটজলদি শুষে নেয়।

প্রাচীনকাল থেকেই দাঁত পরিষ্কার রাখতে এই টোটকা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সামান্য সৈন্ধব লবণ বা সাধারণ নুনের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা খাঁটি সরষের তেল মিশিয়ে আঙুল দিয়ে দাঁতে ও মাড়িতে আলতো করে ঘষুন। দাঁত হবে চকচকে।