
শীতকাল শুরুর আগে একটা বাড়তি আনন্দ থাকে। পিকনিক, বেড়াতে যাওয়া, খাবারের বৈচিত্র, বাজারে নতুন সবজি। নানা দিক থেকেই এই আবহাওয়া পছন্দের কারণ হয়ে ওঠে। কিন্তু শীতকাল কবে আসে, কখন হঠাৎ চলে যায়, এ যেন অনেক জায়গার মানুষের কাছেই ধাঁধা। ফেব্রুয়ারির অর্ধেক কেটে গিয়েছে। এখনই যেন গরম পড়তে শুরু করে দিয়েছে। ফলে ব্রাত্য হয়ে পড়ে রয়েছে শীতের পোশাকগুলো। আবার সেগুলো তুলে রাখতেও দ্বিধা। যদি আবার ঠান্ডা পড়ে! এর মাঝেই আরও একটা চিন্তা, পোশাকগুলো ঠিক কী ভাবে রাখা যায়, যাতে পরের বছরও নতুনের মতো লাগে। এই বিষয়গুলি অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।
জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার, শাল, যাই হোক, না ধুয়ে শীতের কোনও পোশাকই রাখা ঠিক নয়। কারণ, এর মধ্যে ধুলো, ময়লা লেগে থাকতেই পারে। যা হয়তো আপনার নজরে আপাতত পড়ছে না। কিন্তু বছরখানেক এ অবস্থায় থাকলে পোশাকগুলি যে নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং বাতিলের খাতায় ঠেলে দিতে পারে বলাই যায়। সে কারণে শীত পোশাকগুলো অবশ্যই ধুয়ে রাখুন।
শীত পোশাক ধুয়ে শুকোনোর ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। সরাসরি রোদে শুকোনো একেবারেই ঠিক নয়। শীতের পোশাকের রং জ্বলে যেতে পারে। ছায়া রয়েছে, এমন জায়গায় পোশাকগুলি শুকোতে দেওয়াই বুদ্ধির কাজ।
পোশাকগুলো প্যাকিং করে রাখার ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। যদি আলমারিতে রাখা হয় সেক্ষেত্রে শক্ত কোনও জায়গায় না রাখাই শ্রেয়। অনেকেই প্লাস্টিকের ব্যাগে শীতপোশাক রাখেন। তাতে কিন্তু পোশাক নষ্ট হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। তেমনই ওয়ার্ডরবে রাখার সময় একটা বিষয় মাথায় রাখবেন, একের উপর এক এভাবে যত কম সাজানো যায়। চাপ পড়লেও শীত পোশাক নষ্ট হতে পারে।