
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড করতেই সিদ্ধার্থ-কিয়ারার এআই জুটি মন জয় করে নিয়েছে নেটিজেনদের। আশির দশকের ক্লাসিক পেস্টেল শেডের পোশাক এবং নস্টালজিক ব্যাকগ্রাউন্ডে দু’জনকে যেন তৎকালীন কোনো প্রেমকাহিনির চিরচেনা জুটি বলেই ভুল হয়।
দীপিকা পাড়ুকোনের এআই ভিন্টেজ ছবিটি পুরোপুরি মনে করায় তৎকালীন আর্ট হাউস সিনেমা বা ক্লাসিক রোম্যান্টিক ডিরেক্টরদের ছবিকে। ঐতিহ্যবাহী চোখের সাজ, কপালে ছোট টিপ এবং উইংড আইলাইনারের ছোঁয়ায় আশির দশকের নিখুঁত এক সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে তাঁর এআই লুকে। এই ট্রেন্ডে রয়েছেন পরিণীতি চোপড়া ও রাঘব চড্ডাও।
এই ট্রেন্ডের সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে পাওয়ার কাপল অনুষ্কা শর্মা ও বিরাট কোহলির ছবি। অনুষ্কার রেট্রো হেয়ারস্টাইল আর বিরাটের তখনকার দিনের স্টাইলের কোঁকড়ানো চুল এবং ক্লাসিক গোঁফ দেখে মনে হচ্ছে, তাঁরা যেন আশির দশকের কোনো সাড়াজাগানো প্রেমকাহিনির নায়ক-নায়িকা! জনপ্রিয় অভিনেতা রবি কিষাণের এআই রূপ দেখে নস্টালজিক নেটপাড়া। বেলবটম লুক, চোখের সানগ্লাস এবং ট্রেডমার্ক আশির দশকের হেয়ারকাটে রবি কিষাণকে একেবারে সেই জামানার রাফ-অ্যান্ড-টাফ মুম্বাইিয়া অ্যাকশন স্টারের মতো দেখতে লাগছে।
বাদ পড়েননি টলিউডের নুসরত জাহান এবং হুমা কুরেশি। তাঁদের আশির দশকের ছবিও নজর কেড়েছে।
তামান্না ভাটিয়ার এআই মেকওভারে নজর কেড়েছে তৎকালীন তামিল ও তেলুগু সিনেমার ভিন্টেজ স্টাইলিং। উজ্জ্বল রঙের শাড়ি, জুঁই ফুলের গাজরা এবং আশির দশকের বিশেষ লাইটিং ও কালার টোনে তামান্নাকে দেখাচ্ছে একেবারে নিখুঁত এক ভিন্টেজ সুন্দরী হিসেবে।
শ্রুতি হাসানের ক্ষেত্রে এআই ট্রেন্ড নিয়ে এসেছে রক-স্টার আর আশির দশকের গ্ল্যামারসের এক মিশেল। অন্যদিকে, তাহিরা কাশ্যপের রেট্রো লুকে ফুটে উঠেছে আশির দশকের স্বাধীন ও সাহসী আধুনিক নারীচরিত্রের প্রভাব, যা তাঁর অনুরাগীদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।