
বেদানা (Pomegranate): রক্তস্বল্পতা দূর করতে বেদানা বা ডালিম সবচেয়ে কার্যকরী। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে।

আপেল (Apple): প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমে। আপেলে থাকা প্রচুর পরিমাণ আয়রন এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান রক্তে লোহিত রক্তকণিকা (RBC) তৈরিতে দারুণ সাহায্য করে।

কিশমিশ ও শুকনো আঙুর (Raisins): কিশমিশ বা ড্রাই ফ্রুটস আয়রনের খনি। রাতে এক মুঠো কিশমিশ জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই জলসহ কিশমিশ খেলে শরীরের রক্তের ঘাটতি দ্রুত মিটে যায়।

পাকা কলা (Banana): কলায় শুধু শক্তিই থাকে না, এতে রয়েছে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড এবং আয়রন। এই দুটি উপাদানই শরীরে লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে উদ্দীপনা জোগায়।

তরমুজ (Watermelon): গরমের এই রসালো ফলটি আয়রন এবং ভিটামিন সি-তে ভরপুর। তরমুজে থাকা ভিটামিন সি শরীরে আয়রন শোষণ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, ফলে রক্তাল্পতা দূর হয়।

লেবু জাতীয় ফল (Citrus Fruits): কমলালেবু, মোসম্বি বা পাতিলেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। রক্ত বাড়ানোর জন্য শুধু আয়রন খেলেই হয় না, তা শরীরে শোষিত হতে ভিটামিন সি-এর প্রয়োজন হয়, যা এই ফলগুলো পূরণ করে।

পেঁপে (Papaya): পাকা পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ফোলেট বা ফলিক অ্যাসিড থাকে। রক্তে নতুন কোষ বা লোহিত রক্তকণিকা গঠনে ফোলেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

স্ট্রবেরি ও বেরি জাতীয় ফল (Berries): স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি বা চেরি ফলে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো নিয়মিত খেলে রক্ত পরিষ্কার হয় এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক থাকে।