
প্রোটিন ও পুষ্টিতে ভরপুর ডিম আমাদের রোজকার ডায়েটের অন্যতম প্রধান অংশ। অনেকেই একবারে অনেকটা ডিম কিনে ঘরে মজুত করেন। কিন্তু ডিমটি আদেও খাওয়ার উপযোগী তো? না ভেঙে তা চেনার সহজ উপায় জানিয়েছে FSSAI।

দীর্ঘদিন ধরে রাখা বাসি ও পচা ডিম খেলে ফুড পয়জনিং, মারাত্মক পেটে ব্যথা, বমি এবং পেটের ইনফেকশন হতে পারে। তাই ডিম খাওয়ার আগে তার পরীক্ষা করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

ডিমে রয়েছে উচ্চমানের প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন এ, ডি ও বি১২। এটি পেশি ও হাড় মজবুত করার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

ভারতীয় খাদ্য নিয়ামক সংস্থা (FSSAI) ডিমের সতেজতা পরীক্ষার একটি সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি জানিয়েছে। এর জন্য আপনার প্রয়োজন শুধু একটি পাত্র বা গ্লাস ভর্তি জল। জলভর্তি পাত্রে ডিমটি ডুবিয়ে দিলেই আসল সত্য সামনে আসবে।

জলভর্তি গ্লাসে ডিমটি ছাড়ার পর যদি দেখা যায় সেটি সোজা পাত্রের একবারে নিচে সম্পূর্ণ তলিয়ে গেছে এবং আড়াআড়িভাবে শুয়ে রয়েছে, তবে বুঝবেন ডিমটি একদম টাটকা বা ফ্রেশ (Fresh)। এটি নিশ্চিন্তে খাওয়া যায়।

ডিমটি যদি জলের নিচে পুরোপুরি না ডুবে সোজা হয়ে খাড়া বা উলম্বভাবে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে বুঝবেন সেটি বেশ পুরনো। আর ডিমটি যদি জলের ওপর ভাসতে শুরু করে, তবে তা পুরোপুরি নষ্ট বা পচা। এটি ভুলেও খাবেন না।

ইদানীং বাজারে ডিমকে উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় দেখাতে ক্ষতিকর কেমিক্যাল বা তেলের প্রলেপ দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের ভেজাল ডিম খেলে পেটের রোগ ও অ্যালার্জির ঝুঁকি বাড়ে। তাই ডিম কেনার সময় অতিরিক্ত চকচকে ডিম এড়িয়ে চলাই ভালো।