
সমপরিমাণ লেবুর রস ও জল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার জামার ঘামের দাগ লাগা অংশে এই মিশ্রণটি স্প্রে করে বা ঢেলে হালকা ঘষুন। লেবুর প্রাকৃতিক অ্যাসিড দাগ নিমেষেই তুলে দেবে।

৩ চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে সামান্য জল মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি দাগের ওপর লাগিয়ে একটি পুরনো টুথব্রাশ দিয়ে হালকা হাতে ঘষে আধ ঘণ্টা রেখে দিন। তারপর স্বাভাবিকভাবে ধুয়ে ফেলুন।

এক বালতি জলে ১ কাপ সাদা ভিনেগার (White Vinegar) মিশিয়ে নিন। এবার দাগ লাগা জামাটি ওই জলে অন্তত ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। ভিনেগারের অ্যাসিড জেদি হলদে ছোপ আলগা করে দেয়।

মাথা ব্যথার দুটি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট গুঁড়ো করে আধ কাপ গরম জলে গুলে নিন। এই তরলটি ঘামের দাগের ওপর ঢেলে ২-৩ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে নিলেই দাগ উধাও।

৪ চামচ নুন ১ লিটার গরম জলে গুলে নিন। এবার একটি স্পঞ্জ বা সুতির কাপড় ওই নুন জলে ভিজিয়ে জামার দাগ ধরা অংশে আলতো করে ঘষতে থাকুন, যতক্ষণ না দাগ ফিকে হচ্ছে।

১ ভাগ ডিশওয়াশ লিকুইডের সঙ্গে ২ ভাগ হাইড্রোজেন পারক্সাইড মিশিয়ে দাগের ওপর লাগান। ১ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। বিশেষ করে সাদা জামার হলদে দাগ তুলতে এটি অত্যন্ত কার্যকরী।

সমপরিমাণ ভদকা (Vodka) বা রাবিং অ্যালকোহল ও জল একসঙ্গে মিশিয়ে জামার বগলের বা কলারের দাগে স্প্রে করুন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললে দাগের পাশাপাশি ঘামের দুর্গন্ধও চলে যাবে।

জামায় ঘামের দাগ বসার আগেই অর্থাৎ হালকা ভেজা থাকাকালীনই ওই অংশে প্রচুর পরিমাণে ট্যালকম পাউডার ছড়িয়ে ইস্ত্রি (Iron) করে নিন। পাউডার ঘামের তেল ও দাগ শুষে নেবে, ফলে স্থায়ী দাগ বসবে না।