
হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ফাইবার অত্যন্ত জরুরি। সাদা ভাতের তুলনায় আটার রুটিতে (বিশেষ করে হোল হুইট আটা) ফাইবারের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

সাদা ভাতের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হওয়ায় তা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে, রুটির জিআই (GI) তুলনামূলক কম, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

ভাতের তুলনায় রুটিতে সোডিয়ামের পরিমাণ কিছুটা বেশি থাকে (যদি ময়দা বা প্রক্রিয়াজাত আটা হয়)। তাই হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে রুটি তৈরির সময় আলাদা করে লবণ না মেশানোই ভালো।

আপনি যদি ভাত পছন্দ করেন, তবে সাদা ভাতের বদলে লাল চালের ভাত (Brown Rice) বেছে নিন। এতে থাকা প্রচুর পুষ্টিগুণ এবং আঁশ হার্টের ধমনীকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

হার্টকে আরও সুরক্ষিত রাখতে সাধারণ আটার বদলে জোয়ার, বাজরা বা ওটসের মিশ্রণে তৈরি মাল্টিগ্রেন আটার রুটি বেশি উপকারী। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

ভাত খুব দ্রুত হজম হয়ে যায়, ফলে তাড়াতাড়ি খিদে পায়। অন্যদিকে রুটি হজম হতে সময় নেয় বলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্টের ওপর চাপ কমায়।

রুটিতে ভাতের তুলনায় প্রোটিন এবং ম্যাগনেশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। ম্যাগনেশিয়াম হার্ট বিট স্বাভাবিক রাখতে এবং রক্তনালীর পেশিকে শিথিল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

আসল কথা হলো পরিমাণ। আপনি ভাত বা রুটি যা-ই খান না কেন, প্লেটের অর্ধেকটা সবজি দিয়ে ভরিয়ে রাখুন। অতিরিক্ত তেল-মশলা ছাড়া রান্না করা খাবারই হার্টের আসল বন্ধু।