
বুধবার ভোরেই কলকাতায় পৌঁছেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। সঙ্গে দলের স্প্যানিশ প্লেয়ার সাউল ক্রেসপোও। গত মরসুমেও ইস্টবেঙ্গলেই ছিলেন ক্রেসপো। তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাড়িয়েছে লাল-হলুদ শিবির।

কার্লেস কুয়াদ্রাতকে স্বাগত জানান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ভোর রাতেও প্রিয় কোচকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের প্রচুর সমর্থকও। নতুন মরসুমের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখছেন লাল-হলুদ ফ্যানেরা।

কলকাতায় পৌঁছে আর সময় নষ্ট করতে রাজি ছিলেন না কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। সিনিয়র টিমকে নিয়ে প্রস্তুতিতে নেমে পড়েন। ইস্টবেঙ্গল সিনিয়র টিমের নতুন মরসুমের প্রথম প্র্যাক্টিস সেশন।

ইস্টবেঙ্গল মাঝমাঠের অন্যতম ভরসা সৌভিক চক্রবর্তী। গত মরসুমেও দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন লাল-হলুদের এই মিডফিল্ডার। নতুন মরসুমের জন্যও তাঁর উপর অনেক বেশি প্রত্যাশা।

নতুন মরসুমে যেমন বিদেশি প্লেয়ার সই করানো হয়েছে, তেমনই ঘরোয়া দক্ষ ফুটবলারের দিকেও নজর দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। সই করানো হয়েছিল প্রভাত লাকরাকে। কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত সকলের দিকেই সমান নজর দিলেন।

প্রাক-মরসুম প্রস্তুতি। প্রথম দিনই জোরকদমে অনুশীলন কঠিন। আপাতত ফিটনেসে নজর দিচ্ছেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। সঙ্গে ফুটবলারদের সঙ্গে যাতে দ্রুত বোঝাপড়া তৈরি করা যায়, সেদিকেই নজর।

প্র্যাক্টিসে নেমে পড়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ক্লেটন সিলভাও। গত দু-মরসুমে ইস্টবেঙ্গল আক্রমণ ভাগের মূল স্তম্ভ ক্লেটনই। এ বারও তাঁর থেকে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের প্রত্যাশায় টিম।

গত মরসুমে সরকারিভাবে ইস্টবেঙ্গলের ক্যাপ্টেন ছিলেন হরমোনজ্যোৎ খাবরা। কয়েক ম্যাচ পর চোট পেয়ে দীর্ঘসময়ের জন্য ছিটকে গিয়েছিলেন। ক্লেটনই ছিলেন ক্যাপ্টেন। এ বার মরসুমের শুরুতেই তাঁকে ক্যাপ্টেন এবং নাওরেম মহেশকে সহ অধিনায়ক করা হয়েছে।