
গত কয়েক বছরে এত বড় ভূমিকম্প দেখেনি তাইওয়ান। বুধবারের এই ভূমিকম্পে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৪। শুধু তাই নয়, একের পর এক আফটার শকে কেঁপে উঠেছে গোটা এলাকা। খেলনার মতো ভেঙে পড়েছে বহুতল থেকে উড়ালপুল। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভূমিকম্পে। আহত হয়েছেন ৯৩৪ জন।
১৯৮০ সাল থেকে এদিন পর্যন্ত অন্তত ২০০০ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে তাইওয়ানে। সেই সব কম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল সর্বনিম্ন ৪.৪। অন্তত ১০০টির ক্ষেত্রে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫-এর ওপরে।
যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের মধ্যে তিনজন ছিলেন পর্বতারোহী। পাহাড়ে ওঠার সময়েই তাঁদের মৃত্যু হয়। এছাড়া এক ট্রাক চালক ও এক খনিকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিনের ভূমিকম্পের পর তাইওয়ানের যা চেহারা হয়, তা ভয়ঙ্কর। কোথাও রাস্তার পর পড়ে যায় একের পর এক গাছ। একাধিক বাড়ি পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। আবার কোনও কোনও বাড়ি হেলে পড়ে যায় পাশের অপর একটি বাড়ির ওপর। আতঙ্কে দিশেহারা মানুষ কার্যত খোলা আকাশের নীচে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
তবে জানা যায়, ভূমিকম্প থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে তাইওয়ানে রয়েছে সর্বাধুনিক ব্যবস্থা। বিল্ডিং তৈরির ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ নীতি। এছাড়া সাধারণ মানুষকেও সতর্ক করে থাকে প্রশাসন।
প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারের মধ্যে অবস্থিত তাইওয়ান। এই অংশ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সর্বাধিক সম্ভাবনা রয়েছে। টেকটনিক প্লেটের কারণে বারবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।