
কেউ সরকারের পক্ষে গলা ফাটান, কেউ বিরোধী বেঞ্চে বসে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন প্রতিনিয়ত। কখনও সংসদ কক্ষে, কখনও সভামঞ্চে, কখনও মিটিং-মিছিলে দেখা যায় তাঁদের। তবে গুরুম্ভীর বিষয়ের চর্চা তো তাঁদের একঘেয়ে লাগে কখনও কখনও। সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডে তাঁরাও হয়ত কিছুটা বিরতি খুঁজছেন। শুধু জেন জি নয়, ৮০ বা ৭০-এর দশকে জন্মানো রাজনীতিকরাও গা ভাসিয়েছেন জনপ্রিয় ১৯৮০-র ট্রেন্ডে।
অনুরাগ ঠাকুর। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ। হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরের সাংসদ এই নেতা সংসদে বেশ জনপ্রিয় মুখ। ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রক সামলাতেন তিনি। বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও মন্ত্রক নেই। এআই-তে তৈরি করা তাঁর ছবি বেশ নজর কেড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
সস্ত্রীক একটি ছবি পোস্ট করেছেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি ছিলেন তিনি। বর্তমানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী তিনি। বালুরঘাটের সাংসদের এআই-তে তৈরি ছবি একেবারে অন্যরকম।
দেশের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হিমন্ত বিশ্বশর্মা। চর্চায় থাকেন বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৮০-র ট্রেন্ডে নিজের ছবি বানিয়েছেন তিনিও। চোখে সানগ্লাস ও পরণে সাদা ব্লেজার পরা হিমন্তের ছবি এখন ভাইরাল।
একসময়ের অভিনেতা এখন রাজনীতিক। এলজেপি সাংসদ চিরাগ পাসোয়ান সাংসদ হিসেবে আলাদা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। বছর ৪৩-এর এই রাজনীতিককে একেবারে অন্য রূপে দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
সংসদে প্রথম সারিতে থাকা মন্ত্রীদের মধ্যে অন্যতম কিরণ রিজিজু। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন ইস্যুতে বক্তব্য পেশ করতে দেখা যায় তাঁকে। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক সামলেছেন তিনি। তিনিও সংসদের কাজ থেকে কিছুটা অব্যাহতি নিয়ে ট্রেন্ডে গা ভাসিয়েছেন।
কেন্দ্রে বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম মুখ ডেরেক ও ব্রায়েন। বিভিন্ন ইস্যুতে, বিক্ষোভে-প্রতিবাদে সামনের সারিতে দেখা যায় তাঁকে। তবে ট্রেন্ডে গা ভাসালেন একসময়ের 'কুইজ মাস্টার' ডেরেক। তিনি লিখেছেন, 'সংসদের গম্ভীর বিষয়ের আলোচনা থেকে একটু অব্যাহতি নিয়েছি।'
দেশের বাণিজ্য মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁর হাতে। এরই মধ্যে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ন্যাশনাল ট্রেজারার হিসেবেও রয়েছেন তিনি। এত গুরুগম্ভীর বিষয় সামলেও পীযূষ গোয়েল সোশ্যাল মিডিয়ার এআই ট্রেন্ডে সামিল। ব্লেজার, সানগ্লাস পরা তাঁর সেই পুরনো ঘরানা ছবি দেখে চেনাই দায়।