
আমন্ড অয়েলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই থাকে, যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি সরাসরি চুলের ফলিকলকে পুষ্টি জোগায় এবং চুলের বৃদ্ধিতে বা চুল দ্রুত লম্বা হতে সাহায্য করে।

যাদের চুল খুব রুক্ষ ও শুষ্ক, তাদের জন্য আমন্ড অয়েল ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি চুলের ভেতরে প্রবেশ করে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং চুলকে ভেতর থেকে নরম ও কোমল করে তোলে।

আমন্ড অয়েলে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও ফ্যাটি অ্যাসিড চুলকে গোড়া থেকে শক্ত করে। নিয়মিত এই তেল ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হয়, ফলে চিরুনি চালানোর সময় চুল ওঠার সমস্যা অনেকটা কমে যায়।

স্ক্যাল্পের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ খুশকি বাড়ায়। সপ্তাহে অন্তত দুবার হালকা গরম আমন্ড অয়েল দিয়ে স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করলে স্ক্যাল্পের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং খুশকি বা চুলকানির মতো সমস্যা দূরে থাকে।

চুলের ডগা ফেটে যাওয়া রুক্ষ চুলের অন্যতম সমস্যা। আমন্ড অয়েলের প্রোটিন চুলের ডগাকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিয়ে আগা ফাটা রোধ করতে সাহায্য করে, ফলে চুল দেখতে সুস্থ ও সতেজ লাগে।

অনেক তেল চুলে লাগালে চটচটে ভাব হয়, কিন্তু আমন্ড অয়েল অনেক হালকা। এটি চুলে লাগালে কোনো বাড়তি তেল চিটচিটে ভাব ছাড়াই চুলে আসে এক প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যোজ্জ্বল জেল্লা।

বাইরের দূষণ এবং সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) চুলের কিউটিকলের মারাত্মক ক্ষতি করে। আমন্ড অয়েল চুলের ওপর একটি হালকা রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে, যা পরিবেশের ক্ষতি থেকে চুলকে বাঁচায়।

যাদের চুলে খুব জট পাকিয়ে যায়, তাদের জন্য আমন্ড অয়েল খুব উপকারী। এটি চুলে কন্ডিশনারের মতো কাজ করে, ফলে চুল জটমুক্ত এবং সিল্কি থাকে, যা স্টাইল করাকে অনেক সহজ করে তোলে।