
রান্নার আগে চাল ২-৩ বার ভালো করে ধুয়ে নিন। ধোয়ার সময় হাত দিয়ে আলতো করে কচলে ধোবেন যাতে অতিরিক্ত স্টার্চ (মাড়) বেরিয়ে যায়। পরিষ্কার জল বের না হওয়া পর্যন্ত ধোয়া জরুরি।

রান্নার অন্তত ৩০ মিনিট আগে চাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন। এতে চালের দানাগুলো সমানভাবে সেদ্ধ হয় এবং রান্নার পর ভাত দলা পাকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।

ভাতের জল মাপার সময় ১:২ অনুপাত বজায় রাখুন। অর্থাৎ, ১ কাপ চালের জন্য ২ কাপ জল। জলের পরিমাণ বেশি হলে ভাত নরম ও আঠালো হয়ে যায়।

ভাতের জল ফুটে উঠলে তাতে ১ চা চামচ লেবুর রস দিয়ে দিন। লেবুর অ্যাসিড ভাতের দানাগুলোকে সাদা ধবধবে রাখে এবং একে অপরের সাথে লেগে যাওয়া আটকায়।

ভাত ফোটার সময় জলের সাথে ১ চা চামচ সাদা তেল বা ঘি মিশিয়ে দিন। এটি চালের দানার ওপর একটি পাতলা আবরণ তৈরি করে, ফলে ভাত রান্নার পর একে অপরের গায়ে লেগে যায় না।

ভাত ফুটে ওঠার সময় বারবার হাতা দিয়ে নাড়বেন না। অতিরিক্ত নাড়াচাড়ায় চালের দানা ভেঙে যেতে পারে এবং স্টার্চ বেরিয়ে এসে ভাত আঠালো হয়ে যায়।

ভাত হয়ে গেলে ঢাকনা খুলে একটু সময় রেখে দিন। কাঁটা চামচ বা ফর্ক দিয়ে ভাতগুলো হালকা করে আলগা করে দিন, এতে ভাতের ভেতরের বাষ্প বেরিয়ে যাবে এবং ভাত ঝরঝরে থাকবে।

চেষ্টা করুন নতুন চালের বদলে পুরনো চাল ব্যবহার করতে। নতুন চালে আর্দ্রতা বেশি থাকে, তাই তা রান্নার পর সহজেই দলা পাকিয়ে যায়। পুরনো চালে আর্দ্রতা কম থাকায় তা রান্না করলে বেশি ঝরঝরে হয়।