
সপ্তাহের শেষে মাত্র দু’দিনের ছুটি? শরীর ও মন চাঙ্গা করতে ঘুরে আসতে পারেন ঝর্ণা ও পাহাড়ে ঘেরা ঝাড়খণ্ডের অন্যতম জনপ্রিয় ট্যুরিস্ট স্পট মধুপুরে, যার উল্লেখ রয়েছে বহু পুরোনো বাংলা সাহিত্যেও।

ঝাড়খণ্ডের দেওঘর জেলার এই মহকুমা শহরটি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি জিভে জল আনা সুস্বাদু মিষ্টি উৎপাদনের জন্যও বেশ বিখ্যাত।

মধুপুরকে পর্যটকরা ‘স্বাস্থ্যকেন্দ্র’ হিসেবেও চেনেন। এখানকার জল ও চমৎকার জলবায়ু পেটের রোগ নিরাময় করতে এবং হজমশক্তি বাড়াতে দারুণ সাহায্য করে বলেই জানা যায়।

মধুপুরের অন্দরেই লুকিয়ে রয়েছে ইতিহাস ও আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়া। এখানে ঘুরে দেখতে পারেন কপিল মঠ, বিবেকানন্দ মঠ, দেবালয়, ঐতিহাসিক পুরাতন বাঙালি জমিদার বাড়ি, পাত্রল কালীবাড়ি এবং প্রাচীন অগাস্টান গির্জা।


মধুপুর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে মধুবনে অবস্থিত পরেশনাথ পাহাড়। ১৩৫০ মিটার উচ্চতার এই পাহাড়টি ঝাড়খণ্ডের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ, যেখানকার চারপাশের রূপকথার মতো দৃশ্য চোখ জুড়িয়ে দেয়।

মধুপুর ভ্রমণের তালিকায় আরও যোগ করতে পারেন গিরিডি, পাথুরে দেওয়াল ঘেরা তপবন, মনোরম খান্ডলী ট্যুরিজম পার্ক এবং উশ্রী ফলস বা উশ্রী জলপ্রপাতের মতো অসাধারণ সব দর্শনীয় স্থান।

মধুপুর পৌঁছানো একেবারেই ঝক্কিহীন। কলকাতা স্টেশন থেকে সরাসরি ট্রেনে চেপে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় এই সুন্দর ছোট্ট শহরে।