IEM-UEM group: প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ডালি নিয়ে হাজির, শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাচ্ছে IEM-UEM গ্রুপ

IEM-UEM group: দেশের হাতে গোনা সেরা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে IEM ও UEM অন্যতম। ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যানেজমেন্ট ছাড়াও এখানে পড়ানো হয় হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ল এবং শিল্পভিত্তিক নানা বিষয়। এখান থেকে উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা হার্ভাড, স্ট্যানফোর্ড, MIT, বার্কলে এবং লন্ডন বিজনেস স্কুলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান। IEM ও UEM থেকে পাশ করা বহু শিক্ষার্থী আজ বিদেশে বহুজাতিক সংস্থায় আজ কর্মরত।

IEM-UEM group: প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ডালি নিয়ে হাজির, শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দিশা দেখাচ্ছে IEM-UEM গ্রুপ
পুরস্কৃত করা হল IEM-UEM গ্রুপকেImage Credit source: TV9 Bangla

Mar 18, 2026 | 5:46 PM

আধুনিক যন্ত্র-মেধার জমানায় নবীন প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীদের আরও কর্মমুখী করতে নতুন নতুন প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ডালি নিয়ে হাজির ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কলকাতা ও ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট জয়পুর। দেশের হাতে গোনা সেরা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে IEM ও UEM অন্যতম। ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যানেজমেন্ট ছাড়াও এখানে পড়ানো হয় হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ল এবং শিল্পভিত্তিক নানা বিষয়। এখান থেকে উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীরা হার্ভাড, স্ট্যানফোর্ড, MIT, বার্কলে এবং লন্ডন বিজনেস স্কুলে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পান। IEM ও UEM থেকে পাশ করা বহু শিক্ষার্থী আজ বিদেশে বহুজাতিক সংস্থায় আজ কর্মরত। শিক্ষাক্ষেত্রে উৎকর্ষতা ও পড়ুয়াদের প্লেসমেন্টের জন্য IEM-UEM গ্রুপকে পুরস্কৃত করল টিভি৯ বাংলা। 

টিভি৯ বাংলার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিরেক্টর অব আইইএম ও ইউইএম কলকাতা ও জয়পুরের প্রফেসর সত্যজিৎ চক্রবর্তী। আর ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট জয়পুরের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর বিশ্বজয় চট্টোপাধ্যায়। পুরস্কার পাওয়ার পর টিভি৯ বাংলাকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রফেসর সত্যজিৎ চক্রবর্তী বলেন, “এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। টিভি৯’কে অসংখ্য ধন্যবাদ। এত উদ্যোগপতিদের দেখে ভালো লাগছে। কলকাতা ও জয়পুরে ছাত্রছাত্রীরা যাতে উৎকৃষ্টমানের শিক্ষা পায়, সেজন্য আমি, আমার সহকর্মী বিশ্বজয় চট্টোপাধ্যায় সবসময় চেষ্টা করি।”

IEM-UEM গ্রুপের সাফল্য নিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠান ৩৭ বছরের পুরনো। আমাদের গুণমানের জন্য এখন পরিচিত। UEM জয়পুর আত্মপ্রকাশ করে ২০১২ সালে। ওখান থেকে ছাত্রছাত্রীরা ভাল প্লেসমেন্ট পেয়ে বেরয়। ওখানে MNIT জয়পুর, IIT দিল্লি-র প্রফেসরদের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক।”

তাঁদের প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের সাফল্যের চাবিকাঠি নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্বে এখন প্রতিযোগিতা বেড়েছে। এআই আসার পর ভূমিকা বদলছে। এআই আসায় চাকরি যাবে না। কিন্তু, যিনি এআই জানেন, তিনি তাঁর জায়গায় চাকরি পাবেন, যিনি এআই জানেন না। আমাদের পড়ুয়াদের পুরোপুরি এআই দ্বারা ইন্টারভিউ প্রস্তুতি, এআই দিয়ে সফট স্কিল ইমপ্রুভমেন্ট শেখানো হয়। আমাদের হাতে কলমে শেখানো হয়, প্রোডাক্ট তৈরি করে কীভাবে বাজারে তুলে ধরতে হয়।”

শুনুন কী বলছেন প্রফেসর সত্যজিৎ চক্রবর্তী ও প্রফেসর বিশ্বজয় চট্টোপাধ্যায়-

ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট জয়পুরের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর বিশ্বজয় চট্টোপাধ্যায় বলেন, “অনেকের ধারণা বাঙালি ব্যবসাটা করে না। এই ধারণাটা সঠিক নয়। আপনারা যদি আমাদের ইতিহাস খতিয়ে দেখেন, তমলুক এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম বন্দর ছিল। কেন? তার কারণ, চাল, বস্ত্র, শিল্ক সমস্ত কিছু বাঙালি সারা পৃথিবীতে রফতানি করেছে। সেইজন্য তমলুক বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বন্দর ছিল। আপনারা যদি দেখেন, আমরা এই যে ইতিহাসের পাতায় বাচ্চাদের পাল সাম্রাজ্য, সেন সাম্রাজ্য নিয়ে পড়াশোনা করাই। সেসব তো পুরোপুরি বাণিজ্য নির্ভর শিল্পে গড়ে উঠেছে। তাহলে বাঙালিরা ব্যবসা করে না, কী করে বলছেন? মসলিন তো সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ সিল্ক সারা বিশ্বে ব্যবহার হচ্ছে। দ্বারকানাথ ঠাকুর সব ব্যবসা করেছেন।”

এরপরই তিনি বলেন, “স্বাধীনতার সময় বাংলা ভাগ হয়ে যাওয়ার ফলে বন্দর ভাগ হয়ে যায়। তখন ব্যবসা ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হয়। বাঙালি ক্যালকুলেটেড রিস্ক নেয়। তাতে বড় বড় ব্যবসা হয়। কিন্তু, সব ব্যবসা হয় না। বাঙালিরা নলেজ বেসড এন্টারপ্রাইজ তৈরি করে। আমরা সেটাই করেছি। তাতে সফল হয়েছি।”

Follow Us