
রাজকোট টেস্টে জোড়া অভিষেক হয়েছে ভারতীয় শিবিরে। ঘরোয়া ক্রিকেটে নজর কেড়েছেন সরফরাজ খান। টেস্ট অভিষেকে অনবদ্য ইনিংসও খেলেছেন। ম্যাচের প্রথম দিন ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসেনি আর এক অভিষেককারী ধ্রুব জুরেলের। দিনের শেষ দিকে তাঁর নম্বর এলেও ঝুঁকি নেয়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। নাইটওয়াচম্যান হিসেবে পাঠানো হয়েছিল কুলদীপ যাদবকে। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন ব্যাটিংয়ের সুযোগ এল ধ্রুবর। লোয়ার অর্ডারে কার্যকরী একটা ইনিংস খেলেন। তেমনই কিপিংয়েও নজর কাড়লেন। তাঁর মধ্যে নানা ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন দেশের প্রাক্তন কিপার। বিস্তারিত জেনে নিন TV9 Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
দেশের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন ধ্রুব জুরেল। তবে সেই অর্থে পরিচিতি ছিল না। ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছিলেন। গত আইপিএলই যেন কেরিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়। অবশেষে ভারত এ দল হয়ে সিনিয়র দলে। প্রথম দুই টেস্টে শ্রীকার ভরতেই ভরসা রেখেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে তাঁর ব্যাটিং কিংবা কিপিং কোনওটাই যে ভরসা দেওয়ার মতো নয়, উপলব্ধি করতে পেরেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। যথেষ্ঠ সুযোগ দেওয়া হয়েছিল ভরতকে। এ বার ধ্রুব জুরেলের পালা। প্রথম ইনিংসেই দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন।
রাজকোটে প্রথম ইনিংসে ১০৪ বলে ৪৬ রান করেছেন ধ্রুব জুরেল। তাঁর ব্যাটিংয়ে মুগ্ধ দেশের প্রাক্তন কিপার ব্যাটার পার্থিব প্যাটেল। জিও সিনেমায় বলছেন, ‘ধ্রুবর ব্যাটিংয়ে আমি মুগ্ধ। সময় নিয়েছে, ওর রক্ষণ খুবই ভালো, সফ্ট হ্যান্ডে খেলার চেষ্টা করেছে। তাড়াহুড়ো না করে একটা কার্যকর ইনিংস খেলেছে। ওর ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক, ও যে ভাবে মার্ক উডের বোলিং সামলেছে। পেস বোলিং সামলানোর মতো টেকনিক ওর রয়েছে। শুরুতে সতর্ক ছিল। ফিল্ডিং ছড়িয়ে দিতেই ও কিন্তু শট খেলতে দ্বিধা করেনি। বডিলাইনে বোলিংয়ের চেষ্টা হলে, ঠিক সময়ে পজিশন নিয়েছে বল ছাড়ার জন্য। ওকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে দেখিয়েছে।’