
বৃষ্টি নেই। অথচ ভিজল মাঠ। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম গুজরাট জায়ান্টস ম্যাচে এমনই হল। যার জেরে শেষ দিকে কয়েক মিনিট বন্ধ রাখতে হল ম্যাচ। আসলে মাঠে জল দেওয়ার যে স্প্রিঙ্কল থাকে, সেখান থেকে হঠাৎই জল বেরোতে থাকে। মাঠ কর্মীরা দ্রুত তা বন্ধ করেন। মাঠে সুপার সপার ঢোকাতে হয়। বাউন্ডারির কাছে একটা অংশেই এই সমস্যা হয়েছিল। সেই সমস্যা মিটলেও হ্যারি-হারিকেন থামাতে পারেনি গুজরাট জায়ান্টস। ক্যাপ্টেনের বিধ্বংসী ইনিংসে ৭ উইকেটে জয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগে গত কয়েক ম্যাচের ট্রেন্ড ছিল, প্রথমে ব্যাট করা দল জিতেছে। এমনই একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল মুম্বই-গুজরাট ম্যাচেও। টস জিতে ব্যাট করে জায়ান্টসরা। ক্যাপ্টেন বেথ মুনি এবং তিনে নামা দয়ালান হেমলতার বিধ্বংসী ইনিংস। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রান তোলে গুজরাট। বেথ মুনি ৩৫ বলে ৬৬ এবং হেমলতা মাত্র ৪০ বলে ৭৪ রান করেন। ১৯১ রানের বিশাল টার্গেট ছিল মুম্বইয়ের সামনে।
রান তাড়ায় মুম্বইয়ের শুরুটা দারুণ হলেও খেই হারায়। ৯৮ রানে সেট ব্যাটার যস্তিকা ভাটিয়া (৪৯) ফিরতেই ব্যাপক চাপে পড়ে মুম্বই। অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর একটা সময় ২১ বলে ২০ রানে ছিলেন। হঠাৎই যেন ঝড় এল। শেষ অবধি ৪৮ বলে ৯৫ রানের ম্যাচ জেতা ইনিংস মুম্বই ক্যাপ্টেনের ব্যাটে। এমন ইনিংস চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা দায়। সতীর্থরাও যেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না, কী হল!
শেষ ওভারে ১৩ রান প্রয়োজন ছিল মুম্বইয়ের। প্রথম বলেই বিশাল ছয়। পরের বলে বাউন্ডারি। হরমনপ্রীত সিঙ্গল নিয়ে ৯৪-তে পৌঁছন। সেঞ্চুরি এবং জয়ের জন্য ছয় মেরে ফিনিশ করতে হত। অ্যামেলিয়া কের সিঙ্গল নিয়ে ফের স্ট্রাইক দেন হরমনপ্রীত কৌরকে। যদিও ছয় মারার লোভে পড়েননি। সিঙ্গল নিয়েই জেতান। ১ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটে জয়। ক্যাপ্টেনের অনবদ্য ব্যাটিং। বিশাল রান তাড়ায় হরমনপ্রীতের ৯৫ রানের ইনিংস কোনও অংশে সেঞ্চুরির কম নয়।