
উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগের উদ্বোধনী সংস্করণের সব ম্যাচ হয়েছিল মুম্বইতে। দ্বিতীয় সংস্করণে দুই শহরে ম্যাচ। প্রথম পর্বের ১১টি ম্যাচ বেঙ্গালুরুতে, বাকি ১১টি হবে নয়াদিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। বেঙ্গালুরু পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও ইউপি ওয়ারিয়র্স। বিশাল রানের লক্ষ্য দেয় আরসিবি। সৌজন্যে ক্য়াপ্টেন স্মৃতি মান্ধানার বিধ্বংসী ইনিংস। ইউপি ওয়ারিয়র্সও মরিয়া চেষ্টা করে। যদিও পার্থক্য গড়ে দেন আরসিবির উইকেটকিপার রিচা ঘোষ। বেঙ্গালুরু পর্ব জয় দিয়েই শেষ করল হোম টিম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস হারলেও চাপে পড়ে সেই টিম। স্মৃতি মান্ধানা টস হারলেও টিমকে চাপে পড়তে দেননি। শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে আরসিবি ওপেনার স্মৃতি। সাব্বিনেনি মেঘনার সঙ্গে ৫১ রানের পার্টনারশিপ। মেঘনার আউটে তিনে নামেন এলিস পেরি। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের জুটি আরসিবির ভিত আরও মজবুত করেন। একটা সময় মনে হয়েছিল, সেঞ্চুরি যেন সময়ের অপেক্ষা স্মৃতি মান্ধানার। দলীয় ১৪৬ রানে ফেরেন স্মৃতি। ৮০ রান করেন আরসিবি অধিনায়ক। রিচা ঘোষ ১০ বলে ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। ইউপি ওয়ারিয়র্সকে ১৯৯ রানের বিশাল টার্গেট দেয় আরসিবি।
বোর্ডে বিশাল টার্গেট থাকলেও ইউপি সঠিক পথেই ছিল। অ্যালিসা হিলি এবং কিরণ নবগীরে শুরুটা দুর্দান্ত করেন। কিন্তু রিচা ঘোষের কিপিং পার্থক্য গড়ে দেয়। লেগ সাইডে অবিশ্বাস্য ক্যাচে ফেরান গ্রেস হ্যারিসকে। তেমনই অধিনায়ক অ্যালিসা হিলিকে দুর্দান্ত রান আউট করেন। পরপর উইকেট হারিয়ে চাপ বাড়লেও দীপ্তি শর্মা এবং পুনম খেমনার লড়াইয়ে রাখেন ইউপিকে। শেষ ওভারে ২৯ রান ডিফেন্ড করতে হত আরসিবিকে। বোলিং করেন সোফি মলিনিউ। মাত্র ৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন সোফি। ২৩ রানে রুদ্ধশ্বাস জয় স্মৃতি মান্ধানাদের।