
ঋদ্ধিমান সাহা কেমন উইকেট কিপার? এই প্রশ্নটাই বরং ভুল। ভারতীয় ক্রিকেটই শুধু নয়, বিশ্ব ক্রিকেট দেখেছে তাঁর কিপিং। বিশ্বের অন্যতম সেরা কিপার। ৩৯ বছরেও তাঁর ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন তোলার জায়গা নেই। গত আইপিএলে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন। এ বারও রঞ্জি ট্রফিতে চোখ ধাঁধানো কিছু ক্যাচ নিয়েছেন ঋদ্ধিমান সাহা। ভারতীয় ক্রিকেটে তরুণ এক উইকেট কিপারকে নিয়ে এখন জোর আলোচনা। মাত্র দু-ম্যাচ খেলেই প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছেন ধ্রুব জুরেল। কী বলছেন ঋদ্ধিমান? বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
সেরার কাছ থেকে সার্টিফিকেট বরাবরই গুরুত্ব রাখে। গুজরাট টাইটান্সের প্রাক্তন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া বারবার বলে এসেছেন, তাঁর সুরক্ষিত কিপার পছন্দ। একাদশে তাই ঋদ্ধিমান সাহা অটোমেটিক চয়েস। তাঁর কিপিং দক্ষতা দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন আফগান রিস্ট স্পিনার নুর আহমেদ। লেগ সাইডে এমন একটি ডেলিভারি করেছিলেন, যা বাই চার হওয়া যেন সময়ের অপেক্ষা ছিল। যদিও ঋদ্ধির কাছেই আটকে যায় বল। নুর আহমেদ অবাক দৃষ্টিতে দেখছিলেন। এ বারও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে গুজরাট টাইটান্সেই খেলতে দেখা যাবে। নতুন অধিনায়ক শুভমন গিলও দায়িত্ব পেয়ে শুরুতেই যে দু-জনের প্রাণখোলা প্রশংসা করেছিলেন তাঁরা হলেন ঋদ্ধিমান সাহা ও মহম্মদ সামি।
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে রাজকোট টেস্টে অভিষেক হয় তরুণ কিপার ব্যাটার ধ্রুব জুরেলের। অনবদ্য একটা রান আউট করেছিলেন। তেমনই রাঁচি টেস্টে জেমস অ্যান্ডারসনের রিভার্স সুইপে চোখ ধাঁধানো একটা ক্যাচ। ব্যাট হাতে ভরসা দিয়েছেন ধ্রুব। রাঁচির প্রথম ইনিংসে ধ্রুব জুরেল ৯০ রান না করলে বা কুলদীপ ও আকাশ দীপের সঙ্গে জুটি না গড়লে ভারত হয়তো জিততে পারত না। পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ধ্রুব জুরেলকে নিয়ে ঋদ্ধি বলছেন, ‘ওর খেলা সরাসরি দেখার সুযোগ হয়নি। ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখিনি। টেস্টে ওর খেলার হাইলাইটস দেখেছি।’
ঋদ্ধি রঞ্জি খেলায় ব্যস্ত ছিলেন। তাই কিপিং নিয়ে সেই অর্থে এখনই কিছু না বললেও ব্যাটিং দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন। ধ্রুব প্রসঙ্গে যোগ করলেন, ‘ওর ব্যাটিং কিন্তু দুর্দান্ত। গত ম্যাচটা জয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। রিজার্ভ বেঞ্চ প্রস্তুত দেখলে বরাবরই ভালো লাগে। নতুন কেউ সুযোগ পেলে আনন্দ হয়। অনেকেই খেলতে চায় না। আমি বলব, কেউ যদি সুযোগ পায়, তাঁর খেলা উচিত। সে সাদা-বলে সুযোগ পাচ্ছে না লাল-বলে, এ সব ভাবা উচিত নয়।’