ভেঙে পড়ল একের পর এক সাঁকো, কী হচ্ছে ঘাটালে?

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Jul 15, 2026 | 5:58 PM

ঝুমি নদীর জলস্রোত ও পানার চাপে ভেঙে গেল ৭টি বাঁশ-কাঠের সাঁকো। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। সমস্যায় লক্ষাধিক মানুষ। কয়েকদিন ধরে পরপর এই সাঁকোগুলি ভেঙে যাওয়ার কারণে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। সমস্যায় পড়েছেন ঘাটাল ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দুই প্রান্তের লক্ষাধিক মানুষ। জানা গিয়েছে, ঘাটাল ব্লককে ঝুমি ও শিলাবতী নদী দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। ঘাটাল ব্লকের মনসুকা এলাকার মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়েছে ঝুমি নদী। এই নদী ঘাটাল ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে দুই ভাগে ভাগ করেছে। আর ঘাটাল শহরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ঝুমি নদীর উপর বাঁশ ও কাঠের সাঁকো। বর্ষায় নদীতে জলের স্রোত ও পানার চাপে সেই সাঁকো সম্পূর্ণরূপে ভেঙে যাওয়াতেই যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ।খেয়া পারাপারের জন্য এখনও প্রশাসনের তরফ থেকে নৌকার ব্যবস্থা করা হয়নি। তবে এলাকার বিধায়ক শীতল কপাট জানিয়েছেন, দ্রুত সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে। জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে সমস্যার সমাধানের জন্য একটি কংক্রিটের সেতুর কাজ শুরু হয়েছিল। সেই সেতুর কাজ এখনও অসমাপ্ত। অ্যাপ্রোচ রোড তৈরি না হওয়ার জন্যই সেতুটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হলে সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় মানুষজন।

ঝুমি নদীর জলস্রোত ও পানার চাপে ভেঙে গেল ৭টি বাঁশ-কাঠের সাঁকো। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। সমস্যায় লক্ষাধিক মানুষ। কয়েকদিন ধরে পরপর এই সাঁকোগুলি ভেঙে যাওয়ার কারণে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। সমস্যায় পড়েছেন ঘাটাল ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দুই প্রান্তের লক্ষাধিক মানুষ।

জানা গিয়েছে, ঘাটাল ব্লককে ঝুমি ও শিলাবতী নদী দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। ঘাটাল ব্লকের মনসুকা এলাকার মধ্য দিয়ে বয়ে গিয়েছে ঝুমি নদী। এই নদী ঘাটাল ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে দুই ভাগে ভাগ করেছে। আর ঘাটাল শহরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ঝুমি নদীর উপর বাঁশ ও কাঠের সাঁকো।

বর্ষায় নদীতে জলের স্রোত ও পানার চাপে সেই সাঁকো সম্পূর্ণরূপে ভেঙে যাওয়াতেই যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ।খেয়া পারাপারের জন্য এখনও প্রশাসনের তরফ থেকে নৌকার ব্যবস্থা করা হয়নি। তবে এলাকার বিধায়ক শীতল কপাট জানিয়েছেন, দ্রুত সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে। জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে সমস্যার সমাধানের জন্য একটি কংক্রিটের সেতুর কাজ শুরু হয়েছিল। সেই সেতুর কাজ এখনও অসমাপ্ত। অ্যাপ্রোচ রোড তৈরি না হওয়ার জন্যই সেতুটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। সেতুর কাজ সম্পূর্ণ হলে সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন স্থানীয় মানুষজন।

Follow Us
Loading...
Unable to load recommendations.