গাড়ি নিয়ে এসে চক্ষু চড়কগাছ BDO-র, অফিসে ঢুকতে ভ্যানই ‘ভরসা’
বিডিও ভবনের সামনে কোমর সমান জল। সরকারি গাড়ি রেখে ভ্যানে চেপে বিডিও অফিসে ঢুকতে হল খোদ বিডিওকে। নজিরবিহীন পরিস্থিতি মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায়। বুধবার সকালে অফিসের উদ্দেশে বেরিয়ে বিডিও সুজয় ব্যাপারী ফরাক্কা বিডিও অফিসের কাছে পৌঁছতেই দেখেন, অফিস চত্বর সংলগ্ন রাস্তা জলে কার্যত ডুবে রয়েছে। কোথাও কোথাও জল এতটাই বেড়েছে যে, সাধারণ মানুষের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির কারণে তাঁর সরকারি গাড়িও আর এগোতে পারেনি। অগত্যা গাড়ি থেকে নেমে ভ্যানে ওঠেন বিডিও। সেই ভ্যানেই জল পেরিয়ে বিডিও অফিসে পৌঁছন তিনি। আর এই ঘটনাকে ঘিরেই সামনে এসেছে ফরাক্কার জলমগ্ন পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র। ফরাক্কার বিডিও অফিসের সামনে দিয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের নতুন ফ্লাইওভার নির্মাণ হয়েছে। ফ্লাইওভারের নিচের আন্ডারপাসের অংশ থেকে বিডিও ভবনের সামনে জল জমতে শুরু করেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই ফরাক্কার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বিডিও অফিসের সামনের রাস্তা ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘক্ষণ জল জমে থাকায় প্রতিদিনই সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসযাত্রী, ব্যবসায়ী—সকলকেই জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জলনিকাশির সমস্যার সমাধান হয়নি। নিকাশি ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকায় বৃষ্টির জল বের হতে না পেরে রাস্তায় জমে থাকে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতরে আসা মানুষজনও চরম দুর্ভোগের শিকার হন।
বিডিও ভবনের সামনে কোমর সমান জল। সরকারি গাড়ি রেখে ভ্যানে চেপে বিডিও অফিসে ঢুকতে হল খোদ বিডিওকে। নজিরবিহীন পরিস্থিতি মুর্শিদাবাদের ফরাক্কায়। বুধবার সকালে অফিসের উদ্দেশে বেরিয়ে বিডিও সুজয় ব্যাপারী ফরাক্কা বিডিও অফিসের কাছে পৌঁছতেই দেখেন, অফিস চত্বর সংলগ্ন রাস্তা জলে কার্যত ডুবে রয়েছে। কোথাও কোথাও জল এতটাই বেড়েছে যে, সাধারণ মানুষের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির কারণে তাঁর সরকারি গাড়িও আর এগোতে পারেনি।
অগত্যা গাড়ি থেকে নেমে ভ্যানে ওঠেন বিডিও। সেই ভ্যানেই জল পেরিয়ে বিডিও অফিসে পৌঁছন তিনি। আর এই ঘটনাকে ঘিরেই সামনে এসেছে ফরাক্কার জলমগ্ন পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র। ফরাক্কার বিডিও অফিসের সামনে দিয়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের নতুন ফ্লাইওভার নির্মাণ হয়েছে। ফ্লাইওভারের নিচের আন্ডারপাসের অংশ থেকে বিডিও ভবনের সামনে জল জমতে শুরু করেছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই ফরাক্কার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বিডিও অফিসের সামনের রাস্তা ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘক্ষণ জল জমে থাকায় প্রতিদিনই সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে অফিসযাত্রী, ব্যবসায়ী—সকলকেই জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জলনিকাশির সমস্যার সমাধান হয়নি। নিকাশি ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকায় বৃষ্টির জল বের হতে না পেরে রাস্তায় জমে থাকে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতরে আসা মানুষজনও চরম দুর্ভোগের শিকার হন।
