বন্যার নিত্যসঙ্গী ডিঙি, চাহিদা তুঙ্গে ঘাটালে

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 03, 2026 | 7:17 AM

বন্যার খবরের শিরোনামে থাকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল। টানা বৃষ্টি ও জলাধার থেকে জল ছাড়ার ফলে প্লাবিত হয় ঘাটালের বিস্তীর্ণ এলাকা। বন্যার জলে ডুবে যায় রাস্তাঘাট। যাতায়াতের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় ঘাটালের মানুষজনকে। তাই, ঘাটালের অধিকাংশ বাড়িতে সাইকেল, মোটর সাইকেলের পাশাপাশি রাখা রয়েছে তাল কাঠ বা পাতের তৈরি জলযান। বন্যা আসলেই বাজার-হাট বা শহরে আসতে প্রয়োজন হয় এই ছোট্ট ডিঙি বা নৌকা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘাটালের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি নৌকার ব্যবস্থা থাকলেও তা খুবই সীমিত। সরকারি নৌকার উপর আস্থা না রেখেই বাড়ি বাড়ি নিজস্ব ডিঙি-নৌকা করে শহরে আসেন অনেকে। এদিকে শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। ফের আতঙ্কের দিন গুনছেন ঘাটালের মানুষজন। তাই আগাম বন্যার জন্য জলযান প্রস্তুত করে নিচ্ছেন অনেকেই। অনেকের বাড়ির উঠোনের সামনেই সারি সারি রাখা রয়েছে ডিঙি ও নৌকা। ডিঙি সাধারণত তৈরি হয় তাল কাঠের। তাল কাঠের তৈরি ডিঙি ৮-১০ বছর চললেও পরে তা আর ব্যবহার করা যায় না। তাই এখন পাতের তৈরি ডিঙিও তৈরি করছেন অনেকেই। ঘাটালে কোথাও ১৩ হাজার টাকা জোড়া, আবার কোথাও ১৫ হাজার টাকা জোড়া বিক্রি হচ্ছে ডিঙি। বর্তমানে ডিঙির চাহিদা তুঙ্গে। জোর কদমে চলছে ডিঙি তৈরির কাজ।

বন্যার খবরের শিরোনামে থাকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল। টানা বৃষ্টি ও জলাধার থেকে জল ছাড়ার ফলে প্লাবিত হয় ঘাটালের বিস্তীর্ণ এলাকা। বন্যার জলে ডুবে যায় রাস্তাঘাট। যাতায়াতের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় ঘাটালের মানুষজনকে। তাই, ঘাটালের অধিকাংশ বাড়িতে সাইকেল, মোটর সাইকেলের পাশাপাশি রাখা রয়েছে তাল কাঠ বা পাতের তৈরি জলযান। বন্যা আসলেই বাজার-হাট বা শহরে আসতে প্রয়োজন হয় এই ছোট্ট ডিঙি বা নৌকা।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘাটালের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি নৌকার ব্যবস্থা থাকলেও তা খুবই সীমিত। সরকারি নৌকার উপর আস্থা না রেখেই বাড়ি বাড়ি নিজস্ব ডিঙি-নৌকা করে শহরে আসেন অনেকে। এদিকে শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। ফের আতঙ্কের দিন গুনছেন ঘাটালের মানুষজন। তাই আগাম বন্যার জন্য জলযান প্রস্তুত করে নিচ্ছেন অনেকেই। অনেকের বাড়ির উঠোনের সামনেই সারি সারি রাখা রয়েছে ডিঙি ও নৌকা।

ডিঙি সাধারণত তৈরি হয় তাল কাঠের। তাল কাঠের তৈরি ডিঙি ৮-১০ বছর চললেও পরে তা আর ব্যবহার করা যায় না। তাই এখন পাতের তৈরি ডিঙিও তৈরি করছেন অনেকেই। ঘাটালে কোথাও ১৩ হাজার টাকা জোড়া, আবার কোথাও ১৫ হাজার টাকা জোড়া বিক্রি হচ্ছে ডিঙি। বর্তমানে ডিঙির চাহিদা তুঙ্গে। জোর কদমে চলছে ডিঙি তৈরির কাজ।

Follow Us
Loading...
Unable to load recommendations.