লিফটে চিঁড়েচ্যাপ্টা হয়ে বীভৎস মৃত্যু, শুনুন ঠিক কী হল সেই রাতে
অরূপের দিদি বলেন, “কেউ সাড়া দেয়নি। আমাকে বলা হয়, এভাবে চেঁচাবেন না, ডিস্টার্ব হচ্ছে। একজনের প্রাণ চলে যাচ্ছে অথচ ডাক্তাররাও কেউ সেদিন এগিয়ে আসেনি।” জানা গিয়েছে, বেসমেন্টে লিফটের দরজা খুলেছিল, বেরনোর সুযোগও ছিল অরূপদের। কিন্তু সেখানে গ্রিলে তালা দেওয়া ছিল, চাবি কারও কাছে ছিল না বলেই অভিযোগ।
জন্মদিনেই মৃত্যু হয়েছে অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। স্ত্রী সোনালি আর তাঁর তিন বছরের সন্তানের আর্ত চিৎকার কানে যায়নি কারও! কোথায় ছিলেন লিফটম্যান, কোথায় নিরাপত্তারক্ষী? ঘটনার সময় লিফটের বাইরে ছিলেন অরূপের দিদি। ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর চিৎকার শুনে তিনি দৌড়ে গিয়ে সবাইকে ডাকতে থাকেন। বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকেন তিনি। অরূপের দিদি বলেন, “কেউ সাড়া দেয়নি। আমাকে বলা হয়, এভাবে চেঁচাবেন না, ডিস্টার্ব হচ্ছে। একজনের প্রাণ চলে যাচ্ছে অথচ ডাক্তাররাও কেউ সেদিন এগিয়ে আসেনি।” জানা গিয়েছে, বেসমেন্টে লিফটের দরজা খুলেছিল, বেরনোর সুযোগও ছিল অরূপদের। কিন্তু সেখানে গ্রিলে তালা দেওয়া ছিল, চাবি কারও কাছে ছিল না বলেই অভিযোগ।
Follow Us