বিনা অনুমতিতে যাদবপুরে যজ্ঞ, কীসের জন্য? কী বলছেন যজ্ঞকারীরা?
রাজ্যের প্রথম শ্রেণির উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নানা ইস্যুতে ছাত্র আন্দোলনে বিভিন্ন সময় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার মহাযজ্ঞ। তাও আবার বিনা অনুমতিতে বলে অভিযোগ। সেই যজ্ঞের আয়োজন করল ভারতীয় মজদুর সংঘ। যাদবপুরের মতো উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই যজ্ঞ ঘিরে চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। শুক্রবার ক্লাস চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের একেবারে মূল ভবন অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দায় হল হোম যজ্ঞ। যেখানে যজ্ঞ হচ্ছে, সেখানে পোস্টারে লেখা, শুভবুদ্ধির উদয় হোক, যাদবপুরের মঙ্গল হোক। বুদ্ধিশুদ্ধি ও মঙ্গলকামনা যজ্ঞ। ভারতীয় মজদুর সংঘের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাপমুক্তির জন্য এই যজ্ঞ। এদিকে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই যজ্ঞের কোনও অনুমতি ছিল না। আবার যাঁরা যজ্ঞ করলেন, তাঁরা অনেকেই আগের সরকারের আমলে তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হেরিটেজ বিল্ডিংয়ে আগুন জ্বালানো নিষেধ। তারপরও কীভাবে যজ্ঞ করা হল, সেই প্রশ্ন উঠছে। আদালতে না গিয়ে যজ্ঞ কেন? প্রশ্ন তুলল টিএমসিপি-ও।
রাজ্যের প্রথম শ্রেণির উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। নানা ইস্যুতে ছাত্র আন্দোলনে বিভিন্ন সময় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার মহাযজ্ঞ। তাও আবার বিনা অনুমতিতে বলে অভিযোগ। সেই যজ্ঞের আয়োজন করল ভারতীয় মজদুর সংঘ। যাদবপুরের মতো উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই যজ্ঞ ঘিরে চাপানউতোরও শুরু হয়েছে।
শুক্রবার ক্লাস চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের একেবারে মূল ভবন অরবিন্দ ভবনের গাড়ি বারান্দায় হল হোম যজ্ঞ। যেখানে যজ্ঞ হচ্ছে, সেখানে পোস্টারে লেখা, শুভবুদ্ধির উদয় হোক, যাদবপুরের মঙ্গল হোক। বুদ্ধিশুদ্ধি ও মঙ্গলকামনা যজ্ঞ। ভারতীয় মজদুর সংঘের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাপমুক্তির জন্য এই যজ্ঞ। এদিকে, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই যজ্ঞের কোনও অনুমতি ছিল না। আবার যাঁরা যজ্ঞ করলেন, তাঁরা অনেকেই আগের সরকারের আমলে তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হেরিটেজ বিল্ডিংয়ে আগুন জ্বালানো নিষেধ। তারপরও কীভাবে যজ্ঞ করা হল, সেই প্রশ্ন উঠছে। আদালতে না গিয়ে যজ্ঞ কেন? প্রশ্ন তুলল টিএমসিপি-ও।
