প্রশাসনের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরেও আবাসের ঘর পাননি, সরকার বদলাতে জানতে পারলেন সত্যিটা

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 29, 2026 | 7:18 AM

তৃণমূল জমানায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে ভূরি ভূরি দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে ঝাড়গ্রামের শিলদা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। কোথাও অন্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আবাস যোজনার টাকা ঢুকে যাওয়ার অভিযোগ। আবার কোথাও একজনের নাম ও অন্য ব্যক্তির জব কার্ড ব্যবহার করে বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়ম সামনে আসছে। এমনই এক কারচুপির শিকার হয়েছেন শিলদার বাসিন্দা পরেশ আহির। অভিযোগ, ২০১৭ সালে পরেশ আহিরের জব কার্ডের নম্বর ব্যবহার করে বুলু সর্দার নামে অন্য এক ব্যক্তিকে আবাসের পাকা বাড়ি পাইয়ে দেওয়া হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, একটি জব কার্ডের বিপরীতে কেবল একটিই আবাসের বাড়ির অনুমোদন মেলে। ফলে অন্যের দুর্নীতির জেরে এখন নিজের ন্যায্য আবাসের বাড়ি পাওয়া থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন পরেশবাবু। ভুক্তভোগী পরেশ আহির পেশায় একজন সামান্য দর্জি। সংসারে স্ত্রী, দুই ছেলে সহ সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ জন। সামান্য উপার্জনে সংসার টানতে হিমশিম খেতে হয়, দুই ছেলেকেও কাজের সন্ধানে যেতে হয়েছে ভিন রাজ্যে। ভাঙাচোরা মাটির ঘরে কোনওমতে দিন গুজরান করছে গোটা পরিবারটি। পরেশ বাবুর দাবি, ২০১৯ সাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিসে বারবার ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু প্রশাসনের তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। পরবর্তীতে আবাসের নতুন সরকারি সমীক্ষা শুরু হলে তিনি আসল সত্যি জানতে পারেন—তাঁর জব কার্ড ব্যবহার করেই অন্য কাউকে বাড়ি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি জানার পরেই অভিযোগ জানিয়েছেন বিডিও, জেলাশাসকের দফতরে।

তৃণমূল জমানায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা নিয়ে ভূরি ভূরি দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে ঝাড়গ্রামের শিলদা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। কোথাও অন্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আবাস যোজনার টাকা ঢুকে যাওয়ার অভিযোগ। আবার কোথাও একজনের নাম ও অন্য ব্যক্তির জব কার্ড ব্যবহার করে বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়ম সামনে আসছে। এমনই এক কারচুপির শিকার হয়েছেন শিলদার বাসিন্দা পরেশ আহির।

অভিযোগ, ২০১৭ সালে পরেশ আহিরের জব কার্ডের নম্বর ব্যবহার করে বুলু সর্দার নামে অন্য এক ব্যক্তিকে আবাসের পাকা বাড়ি পাইয়ে দেওয়া হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, একটি জব কার্ডের বিপরীতে কেবল একটিই আবাসের বাড়ির অনুমোদন মেলে। ফলে অন্যের দুর্নীতির জেরে এখন নিজের ন্যায্য আবাসের বাড়ি পাওয়া থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন পরেশবাবু।

ভুক্তভোগী পরেশ আহির পেশায় একজন সামান্য দর্জি। সংসারে স্ত্রী, দুই ছেলে সহ সদস্য সংখ্যা প্রায় ১০ জন। সামান্য উপার্জনে সংসার টানতে হিমশিম খেতে হয়, দুই ছেলেকেও কাজের সন্ধানে যেতে হয়েছে ভিন রাজ্যে। ভাঙাচোরা মাটির ঘরে কোনওমতে দিন গুজরান করছে গোটা পরিবারটি। পরেশ বাবুর দাবি, ২০১৯ সাল থেকেই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত ও বিডিও অফিসে বারবার ঘুরেছেন তিনি। কিন্তু প্রশাসনের তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। পরবর্তীতে আবাসের নতুন সরকারি সমীক্ষা শুরু হলে তিনি আসল সত্যি জানতে পারেন—তাঁর জব কার্ড ব্যবহার করেই অন্য কাউকে বাড়ি পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি জানার পরেই অভিযোগ জানিয়েছেন বিডিও, জেলাশাসকের দফতরে।

Follow Us
Loading...
Unable to load recommendations.