Afghanistan: ‘মৌনতাই সম্মতি’, আফগানিস্তানে মান্যতা পেল বাল্যবিবাহ
আইনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, বিয়ের পর মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠানো বাধ্যতামূলক নয়। নতুন বিধানে বলা হয়েছে, বিয়ের পর পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়াই উপযুক্ত। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সম্পর্কিত বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, স্বামীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ছাড়া অন্য কোনও অভিযোগ আনা যাবে না। স্ত্রীর শরীরের ওপর স্বামীর একক অধিকার থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
আফগানিস্তানে মেয়েদের বিয়ে সংক্রান্ত নতুন আইন কার্যকর করেছে তালিবান সরকার। নতুন আইন অনুযায়ী, ৯ বছর বয়স পূর্ণ হলেই কোনও মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া যাবে। বাবা-মা বা সম্ভাব্য পাত্র বিয়ের প্রস্তাব দিতে পারবেন। প্রস্তাব পাওয়ার পর মেয়েটি সম্মতি বা অসম্মতি জানাতে পারবে। তবে আইন অনুযায়ী, মেয়েটি যদি কোনও উত্তর না দিয়ে নীরব থাকে, তাহলে সেটিকে সম্মতি হিসেবেই গণ্য করা হবে।
আইনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, বিয়ের পর মেয়েদের বিদ্যালয়ে পাঠানো বাধ্যতামূলক নয়। নতুন বিধানে বলা হয়েছে, বিয়ের পর পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়াই উপযুক্ত। এছাড়া স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সম্পর্কিত বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, স্বামীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ছাড়া অন্য কোনও অভিযোগ আনা যাবে না। স্ত্রীর শরীরের ওপর স্বামীর একক অধিকার থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্ত্রীর ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
তালিবান সরকারের এই নতুন আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ২০১৮ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী চিকিৎসক Denis Mukwege বলেন, “এই আইনকে শিশু বিবাহের আইন বলা যায় না, এটি শিশুদের উপর যৌন নির্যাতনকে বৈধতা দেওয়ার শামিল।”
মানবাধিকার সংগঠনগুলিও নতুন আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাঁদের মতে, এই আইন আফগানিস্তানে নারী ও শিশুদের অধিকার আরও সংকুচিত করবে এবং অল্পবয়সী মেয়েদের শিক্ষা ও স্বাধীনতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।