
বোলপুর: একদিন আগের ঘটনা। স্বয়ং সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সকলে কোর কমিটির সঙ্গে মিলে কাজ করার। ঠিক তার পরের দিন থেকেই অক্ষরে-অক্ষরে মুখ্যমন্ত্রীর সেই কথা পালন করলেন তিনি। জানালেন, কালীপুজো-ভাই ফোঁটা পেরলেই বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটির মিটিং ডাকব কোর কমিটির মিটিং ডাকবেন।
প্রসঙ্গত, জেলে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বরাবর একচ্ছত্র ক্ষমতা ভোগ করতেন অনুব্রত। গ্রেফতার হওয়ার পর বদলায় পরিস্থিতিজেল থেকে ফেরার পর বীরভূমের রাজনীতিতে ফের পুরনো ছবি ফিরবে? এই নিয়ে ছিল জল্পনা। জেল থেকে ফেরার পর কাজল শেখের সঙ্গে এক মঞ্চেও দেখা যায়নি তাঁকে। কোর কমিটিকে ছাড়াই বিজয়া সম্মিলনীও করছিলেন কেষ্ট মণ্ডল। এরই মধ্যে হস্তক্ষেপ করলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিদিনে কোন পথে চলতে হবে, তা অনুব্রতকে বুঝিয়ে দেন মমতা। আর যে একা চলা যাবে না সেই বিষয়টিও জানিয়ে দেন।
এরপর আজ অনুব্রতকে বলতে শোনা গেল, “কোর কমিটির মিটিং ডাকব। দলের যদি কোন কেউ ভুল করে থাকে বা যদি কেউ অন্যায় করে থাকে এমনকী আমিও যদি কোনও ভুল করে থাকি তাহলে আমাকেও বাদ দেওয়া হোক।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন,”আগামী দিনে বোলপুরের ডাকবাংলা ময়দানে একটি বড় সম্মিলনী আয়োজন করা হবে।” তিনি আরও জানান, বোলপুর শহরে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যে পরাজয় হয়েছিল তা কোথা থেকে হয়েছিল সেই সমস্ত বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে কোর কমিটির জেলা মিটিং এ। আজ এই বিজয় সম্মিলনীতে উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল রাজ্যের মন্ত্র চন্দ্রনাথ সিনহা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বোলপুর পৌরসভার পৌর মাতা পোনা ঘোষ, তৃণমূল নেতা সুদীপ্ত ঘোষ সহ আরও কয়েকজন।