
শিলিগুড়ি: সরকারের ঘরে রাজস্ব আনতে বড় ভূমিকা। কিন্তু, সেই সংস্থাতেই কর্মী সঙ্কট। ধারে অন্য সংস্থা থেকে কর্মী এনে খুড়িয়ে চলছে STA। চাপানউতোর প্রশাসনিক মহলে। স্থায়ী কর্মী মাত্র একজন। এছাড়া উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন নিগম থেকে ধারে এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী নিয়ে এসে চলছে শিলিগুড়ির স্টেট ট্রান্সপোর্ট অথরিটি। এছাড়াও আছেন ওই NBSTC’র এক অস্থায়ী কর্মী। নিজ সংস্থাের কাজ সেরে সরকারি নির্দেশের জেরে সপ্তাহে দু’দিন হাফ ডে করেন স্টেট ট্রান্সপোর্ট অথরিটিতে। এদিকে স্থায়ী কর্মী ছুটি নিলেই অচল হয়ে যায় সংস্থা। অথচ শিলিগুড়ির এই সংস্থা থেকে বছরে ৩২ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয় সরকারের।
২০১৪ সালে শিলিগুড়ির প্রধান নগরে সংস্থা খুলেছিল স্টেট ট্রান্সপোর্ট অথরিটি। সিকিমগামী গাড়ির পারমিটের কাজ ছাড়াও নানা কাজ হয় এখানে। সূত্রের খবর, রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বছরে প্রায় ৩২ কোটি টাকা। অথচ এই সংস্থাতেই কর্মী সঙ্কটের জেরে কাজকর্ম লাটে উঠছে বলে অভিযোগ করছেন কর্মীরাই। বারংবার তাগাদা দিয়েও হয়নি নতুন নিয়োগ। ধারে কর্মী নিয়ে কোনওমতে চলছে সরকারি সংস্থা।
সূত্রের খবর, যে স্থায়ী কর্মী রয়েছেন গত কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ। ছুটিতে রয়েছেন। যেতেই দেখা যায় অফিস ফাঁকা। কাজকর্ম বন্ধ। যে অস্থায়ী মহিলা কর্মী NBSTC থেকে এখানে এসে ডিউটি করেন তিনি বলছেন, তিনি না থাকলে বহু মানুষকেই ঘুরে যেতে হয়। আমরা যেটুকু পারি কাজ করে দিই। NBSTC থেকে সপ্তাহে দু’দিন হাফ ডে ডিউটিতে আসা পুরুষ অস্থায়ী কর্মী বলছেন, “আমি সপ্তাহে দু’দিন নিজের অফিসের কাজ সেরে এখানে অর্ধেক বেলা কাজ করি৷ এভাবেই চলছে। বাকিটা ঊর্ধতন কর্তারা বলতে পারবেন।” এআরটিও মিল্টন দাস বলছেন, “কর্মী চাওয়া হয়েছে। স্থায়ী কর্মী মাত্র একজন। তিনি ছুটিতে। তাই সমস্যা হচ্ছে। এর মধ্যেও আমরা পরিষেবা দিচ্ছি।”