
শিলিগুড়ি: এ যেন নেই রাজ্য। ২৮ মাস উপাচার্য নেই। এই মুহর্তে নেই রেজিস্ট্রার, কন্ট্রোলার, ফিনান্স অফিসার। এছাড়াও শয়ে শয়ে শূন্য পদ। পরীক্ষা ব্যবস্থা চালায় যে সংস্থা, তার বকেয়াও এক কোটির টাকার বেশি। তারাও পরীক্ষা নিতে চাইছে না। এই পরিস্থিতিতে দশ দিন পরীক্ষা পিছিয়ে দিল উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। পরীক্ষা ৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা এখন ১৭ জুলাই থেকে শুরু হবে।
কী বলছেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়েন্ট রেজিস্ট্রার?
সোমবার জয়েন্ট রেজিস্ট্রার স্বপন রক্ষিত বলেন, “একা কুম্ভ হয়ে আমি দায়িত্বে আছি। বাকি সব পদ ফাঁকা। আইনি জটে উপাচার্য নিয়োগ হচ্ছে না। সাত বছর সমাবর্তন হয়নি। পরীক্ষা পদ্ধতি চালায় যে সংস্থা, বকেয়া থাকায় তারাও কাজ করতে চাইছে না। ফলে পরীক্ষা পিছিয়ে দিতে হয়েছে দশ দিন। কীভাবে চলব?” শূন্যপদের উল্লেখ করে তিনি জানান, “মোট অফিসার পদ ফাঁকা রয়েছে ১২টি। নন-টিচিং পদ ফাঁকা রয়েছে ৩৫৭টি। শিক্ষকদের জন্য ৯৫টি পদ ফাঁকা রয়েছে।”
রাজ্যপালকে বিষয়টি জানাবেন জয়েন্ট রেজিস্ট্রার। তিনি বলেন, “এই পরিস্তজিতিতে আগামী ৯ জুলাই রাজ্যের কুড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের নিয়ে এখানে বৈঠক করতে আসবেন রাজ্যপাল আর এন রবি। সেখানে আমাদের উপাচার্য না থাকায় আমরা আমন্ত্রণ পাইনি বৈঠকে। কিন্তু রাজ্যপাল সময় দিলে পরিস্থিতি জানাব। এছাড়া আগামী ১৪ জুলাই লোকভবনে গিয়ে আচার্যকে সব জানাব।”
কী কী নেই উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে?
বিষয়টি যে তিনি জানেন, তা স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। নতুন সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “আমি সবটা উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে জানিয়েছি। দু’দিন পর এ নিয়ে কিছু বলতে পারব।”