Madhyamik Exam: পরীক্ষা কেন্দ্রেই মোবাইলে চলে এল উত্তর, জিজ্ঞেস করতেই একটাই নাম! কে এই জাভেদ স্যর?

Madhyamik Exam: মুহূর্তের মধ্যেই চারজনরেই উত্তরপত্র বাতিল করা হয়। থানাতেও ঘটনার কথা জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে খবর। চাঞ্চল্যকর ঘটনা গোয়ালপোখর ১ ব্লকের নন্দঝাড় হাইস্কুলে। স্কুল সূত্রে খবর, পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার সময় ওই পড়ুয়াদের কাছে কোনও মোবাইল ছিল না।

Madhyamik Exam: পরীক্ষা কেন্দ্রেই মোবাইলে চলে এল উত্তর, জিজ্ঞেস করতেই একটাই নাম! কে এই জাভেদ স্যর?
প্রতীকী ছবি Image Credit source: Meta AI

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 12, 2025 | 9:29 AM

উত্তর দিনাজপুর: টোকাটুকি রুখতে পর্ষদ যে অন্যবারের থেকে এবার কড়াকড়ি আরও বাড়াচ্ছে সেই আঁচ পাওয়া গিয়েছিল আগেই। কয়েকদিন আগেই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তা কীভাবে আঁটসাঁট করা হচ্ছে তার একটা আঁচ দিয়েছিলেন পর্ষদ সভাপতি। কোন কোনও ক্ষেত্রে পরীক্ষা বাতিল হয়ে যেতে পারেও তাও বলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, তারপরেও অবস্থার বদল হচ্ছে কোথায়? মাধ্যমিকের দ্বিতীয় পরীক্ষার দিনেই পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল সমেত ধরা পড়ল চার পরীক্ষার্থী। যদিও ঘটনা জানা মাত্রই অ্য়াকশন নিতে বিশেষ দেরি করেনি পর্ষদ। 

মুহূর্তের মধ্যেই চারজনরেই উত্তরপত্র বাতিল করা হয়। থানাতেও ঘটনার কথা জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে খবর। চাঞ্চল্যকর ঘটনা গোয়ালপোখর ১ ব্লকের নন্দঝাড় হাইস্কুলে। স্কুল সূত্রে খবর, পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার সময় ওই পড়ুয়াদের কাছে কোনও মোবাইল ছিল না। কিন্তু, তাহলে মোবাইল এল কী করে? স্কুলের লোকজন বলছেন, কেন্দ্রে প্রবেশের পর স্কুলের পেছন দিকে কোনওভাবে মোবাইলগুলি রেখে এসেছিল, বা তাঁদের কেউ লুকিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। চার ছাত্রই স্থানীয় লোধন হাইস্কুলের পড়ুয়া বলে জানা যাচ্ছে। 

সূত্রের খবর, পরীক্ষা শুরু হতেই ওই পড়ুয়াদের গতিবিধি দেখে সন্দেহ হয় পরীক্ষকদের। তল্লাশি করতেই ৪ পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল উদ্ধার হয়। পর্ষদ সূত্রে খবর, যে মোবাইল উদ্ধার হয়েছে তাতে উত্তর পাঠানো হয়েছিল। তবে ওই মোবাইল থেকে কোনও প্রশ্ন পাঠানো হয়নি। ঘটনা জানা মাত্রই চারজনের পরীক্ষা বাতিল করে দেয় স্কুল। গোয়ালপোখর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। কিন্তু, প্রশ্ন না পাঠালেও কীভাবে ফোনে উত্তর এল সেই প্রশ্নে বাড়ছে ধোঁয়াশা। তাহলে কী পাঠিয়ে ডিলিট করে দেওয়া হয়েছিল? নাকি অন্যভাবে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল প্রশ্ন? চাপানউতোর চলছেই। তদন্তে কী বের হয় সেটাই দেখার। 

ভেন্যু সুপারভাইজার রুমা দাস বলছেন, “মোবাইল চেক করতেই দেখা যায় উত্তরপত্র এসেছে। কোনও প্রশ্ন পাঠানো হয়নি। উত্তর এসেছে শুধু কে পাঠালো, কী হয়েছে, কী করে হয়েছে, সবই জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, সেভাবে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। শুধু জাভেদ স্যর বলে একজনের নাম বলে। শেষে আরও কয়েকজন ছাত্রের নাম বলে। তারপরই সেই নির্দিষ্ট রুমে গিয়ে ওর বন্ধুদেরও তল্লাশি করা হয়। মোবাইল পাওয়া যায়। ওদের কাছেও উত্তরপত্র পাওয়া গিয়েছে। যা প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলছে। তবে ওরাও কাউকে প্রশ্ন পাঠিয়েছে বলে জানা যায়নি। আমরা ওদের খাতা নিয়ে থানায় জমা দিয়েছি।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us