
আসানসোল: রাতভর টানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত শিল্পাঞ্চল। গারুই ও নুনিয়া নদীর জল উপচে প্লাবিত উত্তর আসানসোলের রেল পাড়-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। বার্নপুরেও টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে একাধিক প্রধান রাস্তা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ও দুর্গতদের ত্রাণ পৌঁছে দিতে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়। চরম দুর্দশার মধ্যে সেখানে নামানো হয়েছে উদ্ধারকারী দল।
এই দুর্যোগের আবহেই সালানপুর থানার ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের এথোড়া মোড় থেকে সীতারামপুরগামী রাস্তায় জহরগড় সেতুতে ঘটে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বৃষ্টির তোড়ে সেতুর উপর জল জমে যায় এবং ভেঙে পড়ে দুই পাশের গার্ডওয়াল। রাস্তা স্পষ্ট দেখতে না পেয়ে সীতারামপুরগামী এক স্কুটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর নিচে জলের তোড়ে ভেসে যায়।
স্কুটিতে থাকা দুই যুবকের মধ্যে একজন কোনওক্রমে গাছের ডাল আঁকড়ে নিজেকে রক্ষা করেন। খবর পেয়ে নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশ উদ্ধার করে তাঁকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সালানপুর ও কুলটি ট্রাফিক গার্ডের পুলিশও। তবে স্কুটির অপর আরোহী, সীতারামপুরের বাসিন্দা ১৮ বছর বয়সী যুবক আমির গেয়াস জলের তোড়ে তলিয়ে যান। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
আজ সকালে দুর্গাপুর ব্যারেজ ৬৪ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে। বানভাসি দামোদর তীরবর্তী এলাকাগুলো। এখনও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমাঞ্চলের এলাকাগুলিতে। পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টি হবে।