Tarkeshwar Dharamshala Row: তৃণমূলের উত্তমের আর এক ‘কীর্তি’, ধর্মশালা কিনতেই বন্ধ হয় তারকেশ্বর মন্দিরে ফুল পাঠানো

Tarkeshwar Birla Dharamshala Row: ১৯৫৯ সালে তৈরি হওয়া এই ধর্মশালা ব্যবহার করা হত তারকেশ্বর মন্দিরে আগত তীর্থযাত্রীদের স্বল্প মূল্যে থাকার জন্য। এবং ধর্মশালার ফুলের বাগান থেকে নিয়ম করে প্রতিদিন এক ঝুড়ি করে ফুল পাঠানো হত বাবার মন্দিরে। যা দিয়ে নিত্য পূজা হত। সেটাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে উত্তম কুণ্ডু জায়গাটি কেনার পর।

Tarkeshwar Dharamshala Row: তৃণমূলের উত্তমের আর এক কীর্তি, ধর্মশালা কিনতেই বন্ধ হয় তারকেশ্বর মন্দিরে ফুল পাঠানো
কী বলছেন উত্তম কুণ্ডু?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 22, 2026 | 6:04 AM

তারকেশ্বর: প্রতিদিন তারকেশ্বর মন্দিরে এক ঝুড়ি ফুল যেত এখান থেকে। সেই বিড়লা ধর্মশালা পরিণত হয়েছে ব্যবসায়িক লজে। অভিযোগ, প্রায় এক বছর হল ধর্মশালা থেকে আর এক ঝুড়ি ফুল যায় না তারকেশ্বর মন্দিরে। কারণ ওই ধর্মশালা তৃণমূল নেতা তথা তারকেশ্বর পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান উত্তম কুণ্ডুর দখলে। একটি চ্যারিটেবল ট্রাস্টের ধর্মশালা প্রভাব খাটিয়ে কম দামে কিনে নেওয়া এবং বেচাকেনায় গরমিলের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবিতে তারকেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করল বিজেপি। ফুল না যাওয়ার কারণ দিলেও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অবশ্য খারিজ করলেন উত্তম কুণ্ডু।

কলকাতার ব্যবসায়ীর থেকে তোলা আদায়, জমি হাতিয়ে নেওয়া এবং খুনের হুমকির অভিযোগে গত বুধবার কলকাতা থেকে গ্রেফতার হন তারকেশ্বর পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান উত্তম কুণ্ডু। বৃহস্পতিবার আদালতে পেশ করা হলে জামিনে মুক্তি পান তিনি। আবারও তাঁর বিরুদ্ধে থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি গণেশ চক্রবর্তী।

গণেশের অভিযোগ, উত্তম কুণ্ডু পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন প্রভাব খাটিয়ে একটি চ্যারিটেবল ট্রাস্টের ধর্মশালার রাজ প্রাসাদের মতো একটি বিল্ডিং-সহ ৮৫ কাঠা জায়গা কেনেন মাত্র তিন কোটি টাকায়। যার বর্তমান মূল্য ১০ কোটি টাকা। পাশাপাশি বেচাকেনার ক্ষেত্রেও বিস্তর আইনি গরমিল রয়েছে। থানায় অভিযোগ জানিয়ে তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন বিজেপি নেতা গণেশ।

ধর্মশালায় কর্মরত ছিলেন অসীম কোলে। তাঁর দাবি, মূলত ১৯৫৯ সালে তৈরি হওয়া এই ধর্মশালা ব্যবহার করা হত তারকেশ্বর মন্দিরে আগত তীর্থযাত্রীদের স্বল্প মূল্যে থাকার জন্য। এবং ধর্মশালার ফুলের বাগান থেকে নিয়ম করে প্রতিদিন এক ঝুড়ি করে ফুল পাঠানো হত বাবার মন্দিরে। যা দিয়ে নিত্য পূজা হত। সেটাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে উত্তম কুণ্ডু জায়গাটি কেনার পর। তাঁর আরও অভিযোগ, তাঁকে জোর করে ভয় দেখিয়ে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

যদিও সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন উত্তম কুণ্ডু। যেকোনও তদন্তের মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ উত্তমের। অন্যদিকে, তারকেশ্বর মন্দিরে ফুল পাঠানো বন্ধ প্রসঙ্গে  তিনি বলেন, ফুলের বাগান নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে ফুল পাঠানো সম্ভব হয়নি।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us