
আন্দুল: ভর সন্ধ্যায় প্রকাশ্য রাস্তায় দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ছুরি নিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ। প্রকাশ্যে হাড় হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ। বুধবার সন্ধ্যায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে আন্দুল মহিয়ারী খাটির বাজার চাঁদনিবাগান এলাকায়। ঘটনার পরপরেই ডোমজুড় থানার পুলিশ এক যুবককে আটক করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ছাত্রীকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষ রক্ষা হল না।
হাওড়া জেলা হাসপাতালের সুপার নারায়ণ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আহত ওই ছাত্রী হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মারা যায়। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্বভাবতই গোটা পরিবার কান্নায় ভেঙে পড়ে। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি দাবিও উঠেছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ প্রেমঘটিত সমস্যার সন্দেহ করলেও দিনের শেষে সেই সন্দেহই সত্যি হয়। নেপথ্যে ত্রিকোণ প্রেম বলেই জানা যাচ্ছে। ওই ছাত্রী যখন স্কুল থেকে টিউশন সেরে ফিরছিল তখনই ঘটে ওই ঘটনা। সমীর দাস নামে এক যুবক তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। ঘটনা দেখে ওই ছাত্রীর প্রেমিক অজয় রায় বাঁচাতে গেলে তাকেও আঘাত করে সমীর। শেষ পর্যন্ত এলাকার লোকজনের হাতে ধরা পড়ে যায় সমীর। বেধড়ক মারধর করে উত্তেজিত জনতা। তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় ডোমজুড় গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে সমীর বীরভূমের বাসিন্দা। ডোমজুরের জালান কমপ্লেক্সে কাজ করে। আগে ওই ছাত্রীর বাড়িতে ভাড়া থাকতো। অভিযোগ, দীর্ঘদিন থেকেই তাঁকে উত্যক্তও করে আসছিল। সে কারণে তাঁকে ওই ভাড়া বাড়িও ছাড়তে হয়। প্রেমে প্রত্যাখ্যান ও বাড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়ার আক্রোশ থেকেই এই খুন বলে অনুমান তদন্তকারী আধিকারিকদের।