
বারাসত: কলকাতা শহরের অন্যতম বড় রেস্তোরাঁ চেনের একটি দোকানে ঢুকে তাজ্জব খাদ্যট দফতরের আধিকারিকরা। অপরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, বাসি মাংস তো আছেই, সেই সঙ্গে পেঁয়াজ-রসুনও টাটকা নয় বলে অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিনের এই রেস্তোরাঁ চেনের বিরিয়ানি যথেষ্ট জনপ্রিয়।
শনিবার দুপুরে ওই রেস্তোরাঁয় হাজির হন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। তাঁরা রান্নাঘর থেকে খাবার জায়গা সর্বত্র খতিয়ে দেখেন। কোথায় খাবার রাখা হয়, কতদিন ধরে খাবার রাখা আছে, সে সব দেখার পর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তাঁরা।
খাদ্য দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “সব জায়গায় গিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে। ফ্রিজের অবস্থা খুবই খারাপ। জং ধরে রয়েছে। রসুন দেখে বোঝা যাচ্ছে, অনেক আগে কাটা, কালো হয়ে গিয়েছে। তবে সবথেকে বেশি অবাক হয়েছি দেখে যে বড় কড়াইতে মাংসের গ্রেভি তৈরি করা হয়, তার মধ্য়ে ডিটার্জেন্টের ১০ টাকার পাউচ পড়ে রয়েছে। কোনওভাবে পড়ে গিয়েছে।” ওই সংস্থাকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
যশোর রোডেই শুধু নয়, উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গায় এদিন খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা হাজির হন। রথতলার একটি রেস্তোরাঁতেও হানা দেন তাঁরা।
কামারহাটি পুরসভার স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক, বেলঘরিয়া থানা এবং কামারহাটি থানার পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। ষষ্ঠীতলা অঞ্চলের সমস্ত বেকারিতেও অভিযান চালানো হয়। দেখা যায় বেকারি থেকে শুরু করে বেশ কিছু হোটেলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও খাদ্য সামগ্রী নোংরা আবর্জনা জায়গায় পড়ে রয়েছে। অভিযান চালিয়ে বেলঘরিয়ার রথতলার একটি নামী রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।